হোম > রাজনীতি

বুদ্ধিজীবীদের হত্যা ছিল সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র: চরমোনাই পীর

স্টাফ রিপোর্টার

চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। ফাইল ছবি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, রোববার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের সেই দিনে বিজয় যখন সন্নিকটে তখন সুপরিকল্পিতভাবে জাতির বাছাই করা মেধাবী সন্তানদের হত্যা করা একটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র ছিল। দেশবিরোধী শক্তি চেয়েছিল এই জাতিকে মেধাহীন করতে, চিন্তাহীন করতে।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সব শহীদের মাগফিরাত কামনা করছে এবং তাদের যথাযথ প্রতিদান কামনা করছে।

চরমোনাই পীর বলেন, একাত্তর সালের পুরো বছর জুড়েই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ১৪ ডিসেম্বরে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের পরপরই দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। তখন স্বাধীন দেশের সরকারের প্রধান কাজগুলোর একটা হওয়ার কথা ছিল এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করা এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা। দু:খজনক সত্য হলো, তখন এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত হয় নেই, অপরাধীদের চিহ্নিত করা হয় নেই। স্বাধীনতার বহুবছর পরে ২০১৩ সালে যে বিচার হয়েছে তাতেও বিচারের বিষয়টি বিতর্কিতই রয়ে গেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চায়, এই হত্যাকাণ্ডের নির্মোহ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত হোক। অপরাধীচক্র চিহ্নিত হয়ে থাকুক। অন্যথায় ইতিহাসের কাছে জাতি হিসেবে আমরা দায়বদ্ধ থেকে যাবো।

চরমোনাই পীর জানান, রোববার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সারাদেশেই দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করবে। শহীদদের জন্য দোয়া করা হবে। তাদের মহিমা তুলে ধরা হবে ইনশাআল্লাহ।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বৃদ্ধির প্রতিবাদ এনসিপির

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে: মির্জা ফখরুল

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিলে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে: নাহিদ

জয়নুল আবদিনকে সতর্ক করলো বিএনপি

জুলাই অভ্যুত্থানে বেনিফিশিয়ারি হয়ে সরকার গঠন করে এখন উল্টো পথে হাঁটছে: গোলাম পরওয়ার

আমরা জুলাই সংস্কারের পুরো প্যাকেজ বাস্তবায়ন চাই

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি

স্বৈরাচারের দোসর রাষ্ট্রপতির সংসদে ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই

লাইভে এসে নিজ এলাকার কাজের হিসাব দিলেন এমপি হাসনাত

মানুষ দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত সুশাসন দেখতে চায়: আমির হামজা