হোম > রাজনীতি

দলীয়করণের শিকার সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার জরুরি

আলোচনা সভায় ড. কামাল

স্টাফ রিপোর্টার

গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি এডভোকেট ড. কামাল হোসেন বলেছেন, বিগত সময়ে দেশের যেসব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান দলীয়করণের ফলে জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে সেগুলোর সংস্কার জরুরি। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এ বিষয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে না পারলে গণতন্ত্র কখনোই প্রাতিষ্ঠানিকরূপ লাভ পাবে না।

বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে গণফোরাম আয়োজিত ‘বাংলাদেশের সংবিধান ও সংস্কার প্রস্তাব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

আলোচনা সভায় ড. কামাল বলেন, যে কোনো সংস্কারের সময় আমাদের মনে রাখতে হবে, সংবিধান আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশের ভিত্তি, বাংলাদেশের সব মানুষের ত্যাগ ও একতাবদ্ধ আকাঙ্ক্ষার ফসল। কোনো ব্যক্তিই এককভাবে সংবিধান পরিবর্তন করার অধিকার রাখেন না। সংস্কারের প্রস্তাবগুলোতে অবশ্যই জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হতে হবে এবং সমাজের বর্তমান চাহিদার সঙ্গে আমাদের মৌলিক মূল্যবোধ এর সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে যে, সরকারের স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ এবং গণতন্ত্রহীনতার জন্য শুধু সংবিধানকে দায়ী করার প্রবণতা থেকে বের হতে হবে, বরং সরকার ও রাজনৈতিক দলের মধ্যে গণতন্ত্র অনুশীলন সর্বাগ্রে গুরুত্ব দিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিদি, ড. শিরিন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম প্রমুখ।

বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রইল অর্ধশতাধিক আসনে

এনসিপি নেতাদের রাজনীতি শেখার উপদেশ দিলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-১৫ আসন নিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির

মিরপুরে জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

জাতীয় পার্টি গণভোটকে প্রত্যাখ্যান করবে

রাজনৈতিক হীনমন্যতা থেকে বিএমডিসিকে দিয়ে শোকজ: ডা. খালিদুজ্জামান

বাংলাদেশের বড় সমস্যাগুলোর অন্যতম হলো নীতিগত বিকৃতি

জোটে ১১ আসন পেলেও ৯ টিতে প্রার্থী প্রত্যাহার করেনি খেলাফত মজলিস

মাহমুদা মিতুর মনোনয়ন প্রত্যাহার, জামায়াতকে সমর্থনের ঘোষণা

মিরপুরে জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপির হামলা