জাতীয় প্রেসক্লাবে নজরুল ইসলাম
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, শহীদ জিয়াও মওলানা ভাসানীর অনুসারী ছিলেন। এদেশের কৃষক, শ্রমজীবী মানুষের নায্য অধিকার আদায়ে কাজ করেছেন ভাসানী।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি হয়েই জিয়া খাল ও নদী খনন কর্মসূচি নিয়েছিলেন। পতিত জমি আবাদের আওতায় নিয়ে আসা। এক ফসলি জমিতে বহু ফসলি আবাদ কর্মসূচি নিয়েছিলেন তিনি। গ্রাম সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কৃষক শ্রমিককে মূল ধারার রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এটাই হলো তার আদর্শের অনুসরণ।
গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ভাসানী জনশক্তি পার্টি আয়োজিত মওলানা ভাসানীর জন্ম ও মৃত্যু দিবসকে জাতীয় দিবস ঘোষণার দাবিতে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, মওলানা ভাসানীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বললাম, আপনার সুপারিশে আমরা মুক্ত হয়েছি। তিনি বললেন, যাও গিয়ে মানুষের জন্য কাজ কর। মওলানার যে আদর্শ, সেই আদর্শ বাদ দিয়ে রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নেই। শ্রমিকদের জন্য মওলানার অনেক বড় অবদান ছিল। মওলানা ভাসানীর কর্মীরা প্রধানমন্ত্রী থেকে প্রেসিডেন্ট এমনকি এমপি-মন্ত্রী হয়েছে। অথচ এতদিন পর উনার জন্মদিন বা মৃত্যুদিনকে জাতীয় দিবসের দাবি তুলতে হচ্ছে! মওলানা ভাসানী সম্পর্কে জানলে বাংলাদেশের রাজনীতি উপকৃত হবে।
আমরা বর্তমানে বেগম খালেদা জিয়াকে আপোষহীন হিসেবে জানি। মওলানা ভাসানীও ছিলেন আপোষহীন নেতা।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর অনুপ্রেরণায় জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এই দেশের জন্য মওলানা ভাসানীর অবদান অনস্বীকার্য।
ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন মেহেদী হাসান তপন, চাষী ভাই, নাজমুল হক নান্টু প্রমুখ।