বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমাদের সামনে উন্নয়নের কত ফানুস দেখানো হয়েছে। মেট্রোরেল, উড়াল সেতু, ফ্লাইওভার কত গাল ভরা গল্প আমাদেরকে বলা হয়েছে। কিন্তু একটা জাতির যে মেরুদণ্ড যে উপযুক্ত শিক্ষা, সেই শিক্ষা কার্যক্রমকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এটাই ফ্যাসিস্টরা যুগে যুগে করেছে।
রোববার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আমরা বিএনপি পরিবার।
রিজভী বলেন, একটি গবেষণা বলছে, বাংলাদেশে শিক্ষার মান এখনো উন্নত নয়, যতটুকু শিক্ষার যে পাঠ্যক্রম সেটাও আপডেট নয়। শিক্ষার যে অবকাঠামোগত দিক সেটিও আশেপাশের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনা করা যায় না। যেখানে শিক্ষক এবং ছাত্র উভয়ই প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার্থীকে অনেকটা দূর পিছিয়ে আছে। এটা অত্যন্ত বাস্তব এবং এটা অত্যন্ত সত্য কথা। এ দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রায় ৪০ শতাংশ বিদ্যালয়ে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বা প্রযুক্তিনির্ভর কোনো শিক্ষা কার্যক্রম নেই। ৪০ শতাংশ কম কথা নয় এবং সেটা গ্রামীণ অঞ্চলে আরো কঠিন অবস্থা। শহরে যদি কিছুটাও থাকে কিন্তু গ্রামীণ অঞ্চলে এই ঘাটতি আরো তীব্র। আমরা সেই দেশে বসবাস করছি।
তিনি বলেন, ১৫-১৬ বছর ধরে জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার কোনো অবকাশ ছিল না বলেই আজকে মাস্তান, গুন্ডা তৈরি হচ্ছে। ছাত্র নামধারীদের দিয়ে কিভাবে মিছিল, মিটিং ভাঙানো যায়, এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
রিজভী বলেন, খবরের কাগজে দেখলাম ছাত্রলীগের নেতা তিনি দেশের প্রধান উপদেষ্টাকে হত্যা করার জন্য পরিকল্পনা করেছে। আজকে যদি সত্যিকারের বিজ্ঞাননির্ভর প্রযুক্তি ঢেলে সাজানো হতো তাহলে শিক্ষার নাম নিয়ে, ছাত্রের নাম নিয়ে একটি ছাত্রসংগঠন থেকে তৈরি হওয়া একটি ছেলে দেশের একজন প্রধান উপদেষ্টাকে হত্যা করার একটা চক্রান্ত।