পাকিস্তানের বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের ভিসা দিচ্ছে না ভারত। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের পেসার আলী খান এখনো ভারতের ভিসা পাননি। দেশটির আরো তিন ক্রিকেটার—শায়ান জাহাঙ্গীর, এহসান আদিল ও মোহাম্মদ মোহসিনও ভারতের ভিসার অপেক্ষায় রয়েছেন। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে এ নিয়ে কম আলোচনা হচ্ছে না ক্রিকেট দুনিয়ায়।
এবার সেই আলোচনায় যোগ হলো ইংল্যান্ডের নামও। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘গার্ডিয়ান’ বলছে, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বড় এক সমস্যায় পড়েছে ইংলিশরা। কেননা ভারত সরকার দুই তারকা ইংলিশ স্পিনার আদিল রশিদ ও রেহান আহমেদকে ভিসা দেয়নি। ভিসা দেবে কি? তাদের দুজনের ভিসা আবেদনই মঞ্জুর করেনি স্বাগতিক দেশটি।
পাকিস্তানের বংশোদ্ভূত এই দুই খেলোয়াড়ের ভিসা না পাওয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ইংল্যান্ড। ক্রিকেটের বিশ্ব আসর শুরুর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ছয়টি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ইংলিশরা। এজন্য লঙ্কা সফরে আদিল রশিদ ও রেহান আহমেদের থাকার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কবে নাগাদ তারা দুজন দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন, সেটা স্পষ্ট করে কেউ বলতে পারছেন না।
ভারতে ভিসা না পাওয়া ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) জন্য প্রথম ঘটনা নয় এটি। পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক এবং রাজনৈতিক শীতল সম্পর্কের প্রভাব পড়েছে ইসিবির ওপরও। ইংল্যান্ডের অন্য স্পিনার শোয়েব বশির দুই বছর আগে ভারতের ভিসা পাননি। এ কারণে টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে পারেননি তিনি। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এ অফ স্পিনারকে ভিসা প্রক্রিয়া শেষ করতে লন্ডনে ফিরতে হয়েছিল। ইংল্যান্ডের পেসার সাকিব মাহমুদও এর আগে ভিসা জটিলতায় পড়েছিলেন। এবার একই ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে দুই লেগ স্পিনার আদিল ও রেহানকে।
গার্ডিয়ান বলছে, আদিল ও রেহানের ভিসার আবেদন নিয়ে কোনো আপত্তি নেই ভারত সরকারের। এমন নিশ্চয়তা পেয়েছে ইসিবি। ভিসা প্রক্রিয়াটি দ্রুত সারতে ব্রিটিশ সরকারের সাহায্যও নিয়েছে তারা। ইসিবির প্রত্যাশা, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে সময়মতো আদিল ও রেহান ভিসা পেয়ে যাবেন। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে ইংল্যান্ড।