হোম > খেলা

ইমন-হৃদয়ের ‘টপ ক্লাস’ ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ বাসিত আলী

স্পোর্টস ডেস্ক

মিরপুরের স্লো উইকেটে রীতিমতো খাবি খেয়েছে পাকিস্তানের ব্যাটাররা। সেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন। মারকুটে ব্যাটিংয়ে ফিফটি করেছেন এই ওপেনার। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। তাই সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে এই দুজনের ব্যাটিংকে টপ ক্লাস বলে আখ্যা দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার বাসিত আলী।

পাকিস্তানের দেওয়া ১১১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ৭ রানের মধ্যেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন কুমার দাস। তৃতীয় উইকেটে ইমন-হৃদয়ের ৭৩ রানের জুটিতে দারুণভাবে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। হৃদয় ৩৬ রানে ফিরলেও জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন ইমন। ৫৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। তার ৩৯ বলের ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও পাঁচটি ছয়ের মার। ধীরস্থির উইকেটে তার আক্রমণাত্মক ব্যাটিং আলাদাভাবে বাসিতের নজর কেড়েছে। পাশাপাশি বাজে ব্যাটিংয়ের কারণে পাকিস্তানি ব্যাটারদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

বাসিত বলেন, ‘ইমন ৫৬ রানের অসাধারণ একটা ইনিংস খেলেছে। এটা সত্যিই টপ ক্লাস ছিল। হৃদয় ৩৬ রান করেছে। এটাও টপ ক্লাস। পাকিস্তানে এসে বাংলাদেশ যেভাবে টেস্ট সিরিজ জিতেছিল টি-টোয়েন্টি সিরিজের শুরুটাও সেভাবেই করল। আমাদের ব্যাটাররা ভেবেছিল শুবমান গিল, জয়ষওয়াল, ট্রাভিস হেড, অভিষেক শর্মাদের মতো ছক্কা হাঁকাবে। আগে তো উইকেটের অবস্থা দেখতে হবে। এটা কি ছক্কা হাঁকানোর মতো উইকেট ছিল নাকি।’

ম্যাচটিতে ৪ ওভার বল করে মাত্র ৬ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান। এই পেসারকেও প্রশংসায় ভাসিয়েছেন বাসিত, ‘মোস্তাফিজ কি দুর্দান্ত বোলিংটাই না করেছে। ৬ রান দিয়ে দুজন ব্যাটারকে আউট করেছে। পাকিস্তানের কোনো ব্যাটারই তাকে খেলতে পারেনি। আপনি দলে আটজন ব্যাটার নিয়ে মাঠ নামলেন। কিন্তু দেখা গেল সবার ব্যাটিংয়ের ধরন একই।’

ইংল্যান্ডের কাছে হারল শ্রীলঙ্কা

বিপিএল শেষ পারিশ্রমিক বাকি

শিরোপা নয়, খেলোয়াড়ের খোঁজে কোচ বাটলার

টিভির পর্দায় পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিসহ আরও যত খেলা

বাংলাদেশকে বাদ দেওয়া বুচারের চোখে ‘নজিরবিহীন’

শনিবার থেকে মাঠে গড়াবে এনডিইউবি ক্রিকেট লীগ

বুলবুলের নামে ফিক্সিং তদন্তের দাবি মিথ্যা : অ্যালেক্স মার্শাল

ফাইনালে আলকারাজের মুখোমুখি জোকোভিচ

ফের রিয়াল-বেনফিকা লড়াই, পিএসজির সামনে মোনাকো

বিশ্বকাপে দুই বাংলাদেশি আম্পায়ার