হোম > খেলা

চাপ সামলানোই আসল পরীক্ষা

কলাম

ওয়াসিম আকরাম

ওয়াসিম আকরাম

ভারত-পাকিস্তানের ফাইনাল মানেই এ অঞ্চলের ক্রিকেটমঞ্চের সবচেয়ে বড় দ্বৈরথ। ভারত আর পাকিস্তানের মুখোমুখি হওয়া মানে শুধু ক্রিকেটীয় লড়াই নয়- এটা আবেগ, ইতিহাস আর স্নায়ুযুদ্ধের ময়দান। আমি বিশ্বাস করি, এই ম্যাচের হার-জিত নির্ভর করে চাপ সামলানোর ওপর।


সাম্প্রতিক ফর্ম বলছে, যে কোনো বিচারেই আজ নিঃসন্দেহে ফেভারিট ভারত। ভারত এমন দাপুটে ক্রিকেটই খেলছে যে, এই দলটির দুর্বলতা খুঁজে বের করা কঠিন! সব বিভাগেই শক্তপোক্ত। ব্যাটিং লাইনআপে গভীরতা এবং বৈচিত্র্য চোখে পড়ার মতো। মিডল অর্ডারে তারা কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা রাখে। বোলাররাও ধারাবাহিকভাবে ভালো করছে। জাসপ্রিত বুমরাহ, কুলদীপ যাদব—ভারতের হাতে একটি নয়, অনেক কজন ‘গেম-চেঞ্জার’ আছেন, যারা একাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম।


পাকিস্তান একটি ট্রানজিশনাল ফেজের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দলটিতে তরুণ ক্রিকেটারদের সমাহার। কিন্তু ভারতের মতো অভিজ্ঞতার গভীরতা হয়তো এখনো তৈরি হয়নি। ফাইনাল জিততে হলে পাকিস্তানকে তাদের সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে। এমন কিছু করতে হবে, যার জন্য ভারত প্রস্তুত নয়। বিশেষ করে টপ অর্ডারকে দায়িত্ব নিতে হবে এবং মাঝের ওভারে রানের গতি বজায় রাখতে হবে। বোলিংয়ে হারিস রউফ ও শাহীন শাহ আফ্রিদিদের ওপর বিশাল চাপ থাকবে; তাদের শুরুতেই উইকেট তুলে নিতে হবে।


আমি পাকিস্তানি হলেও বাস্তববাদী। ভারতের তুলনায় আমাদের দলে কিছু দুর্বলতা আছে, বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে। কিন্তু ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের সৌন্দর্য হলো, এখানে পরিসংখ্যান বা অতীত পারফরম্যান্স কোনো কিছুই নিশ্চিত করে না। ওই বিশেষ দিনে যে দল সাহস দেখাবে এবং স্নায়ু ধরে রাখবে- তারাই ট্রফি নিয়ে ঘরে ফিরবে।


আমি আশা করব, দুদলই ক্রিকেটের স্পিরিট বজায় রেখে একটি দারুণ খেলা উপহার দেবে। দর্শক যেন একটি ঐতিহাসিক ম্যাচ উপভোগ করতে পারে, এটাই আমার চাওয়া।

*ওয়াসিম আকরাম, পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক

পাকিস্তান সিরিজের আগেই সাকিবকে পাওয়ার আশায় বিসিবি

নারী দলের বিশেষ ক্যাম্প আজ শুরু

টিভির পর্দায় চ্যাম্পিয়নস লিগের রিয়াল-বেনফিকার লড়াই

পাকিস্তানকে হারিয়ে সবার আগে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড

সাফ গেমস ঘিরে টিটির প্রত্যাশা

‘সুপার সাব’ সেসকোতে উদ্ধার ম্যানইউ

বেতনভুক্ত হবেন হামজা চৌধুরীরা

কঠিন গ্রুপে বাংলাদেশের মেয়েরা

ফিফা-উয়েফা লালকার্ড দেখছে!

পাকিস্তানের আজ টিকে থাকার লড়াই