জয় কিংবা হার খুব একটা মুখ্য হয়ে আসেনি বিপিএলের রবিন রাউন্ড লিগের শেষদিনে। আগেই প্লে অফ নিশ্চিত হয়েছিল রংপুর রাইডার্স ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের। তাদের প্রতিপক্ষ যথাক্রমে নোয়াখালি এক্সপ্রেস ও ঢাকা ক্যাপিটালস- দুই দল আগেই ছিটকে গিয়েছিল প্লে অফে ওঠার লড়াই থেকে। ফলে শেষ দিনের লড়াই দুটি ছিল এক রকম ম্যাড়মেড়ে। তাও চমক দেখা গেছে দিনের প্রথম ম্যাচে। নোয়াখালির ওপেনার হাসান ঈসাখিলের সেঞ্চুরির জবাব তাওহিদ হৃদয় দিয়েছেন সেঞ্চুরি দিয়ে। তাতে ৮ উইকেটের জয় পেয়েছে রংপুর রাইডার্স। অন্যদিকে প্লে অফের আগে লিগপর্বের শেষ ম্যাচে ঢাকার কাছে ৪৩ রানে হেরেছে চট্টগ্রাম।
সিলেটে সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপে পুড়েছিলেন তাওহিদ হৃদয় ও হাসান ঈসাখিল। হৃদয় ৯৭ রানে অপরাজিত ছিলেন আর হাসান আউট হন ৯২ রানে। নার্ভাস নাইন্টিজে আটকে থাকার আক্ষেপ গতকাল মিরপুরে মেটান তারা দুজনে। শুধু তাই নয় দুজনে খেলেছেন ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। নোয়াখালির হয়ে খেলা ওপেনার হাসান ঈসাখিল ১০৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। তার ব্যাটে ভর করে ১৭৩ রানের সংগ্রহ পায় নোয়াখালি। জবাবে, হৃদয়ের ক্যারিয়ার সেরা ১০৯ রানে ভর করে ৮ জয় পায় রংপুর রাইডার্স। এটা ছিল টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে হৃদয়ের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।
দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে জ্বলে ওঠেন সাইফ হাসান। পুরো টুর্নামেন্টে নিজের ছায়া হয়ে থাকা সাইফ এদিন খেলেন ৪৪ বলে ৭৩ রানের ঝড়ো ইনিংস। এছাড়া ৩০ বলে ২৯ রানের ইনিংস খেলেন ওপেনার জুবাইদ আকবরী। তাতে ঢাকার ইনিংস থামে ১৭০ রানে। চট্টগ্রামের হয়ে ২৫ রানে তিন উইকেট নেন স্পিনার তানভীর ইসলাম।
১৭১ রানের জবাবে পুরো ইনিংসে এক মুহূর্তের জন্য জয়ের আশা জাগাতে পারেনি চট্টগ্রাম। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও তাসকিন আহমেদের বোলিং তোপে মাত্র ১২৮ রানে গুটিয়ে যায় তারা। সাইফউদ্দিন ২০ রানে ৪ ও তাসকিন ২৮ রানে নেন তিন উইকেট। চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ বলে ৪৪ রান করেন আমির জামাল। এছাড়া ১৯ রান আসে হাসান নাওয়াজের ব্যাটে।