লক্ষ্যটা ২০২ রানের। লাহোরের ব্যাটিং স্বর্গে এই রান তাড়া করে জেতা অসম্ভব কিছু নয়। জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটাও ছিল উড়ন্ত। তানজিদ হাসান তামিমের টর্নেডো ব্যাটিংয়ে প্রথম দুই ওভারেই স্কোরবোর্ডে ৩২ রান তোলে সফরকারী দল। তাতে জয়ের স্বপ্নই বুনছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সে স্বপ্ন মাটিতে মিশতেও বেশি সময় লাগেনি। আচমকা ব্যাটিং ধ্বসে দলীয় ৭৭ রানে ৭ উইকেটের দলে পরিণত হয় বাংলাদেশ। কার্যত তখনই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় অতিথিরা। শেষ পর্যন্ত সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সঙ্গী হয় ৫৭ রানের হার। অনুমিতভাবেই এই হারের জন্য ব্যাটারদের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন অধিনায়ক লিটন কুমার দাস।
আরও একবার বাজে ব্যাটিং প্রদর্শনীর দিনে বাংলাদেশ অলআউট হয় ১৪৪ রানে। ৭৭ রানে ৭ উইকেট হারানো দলকে দেড়শ’র কাছাকাছি নিয়ে যান তানজিম হাসান সাকিব। ৩১ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলেন এই ডানহাতি পেসার। এর আগে দুর্দান্ত শুরু করা তামিমের ব্যাট থেকে আসে ৩৩ রান। ১৯ বল খেলেন এই ওপেনার।
ম্যাচ শেষে লিটন বলেন, ‘আপনাকে তো বেসিক কাজগুলো করতে হবে। রান নেওয়া তো বেসিক কাজ। আমরা আসলে মৌলিক কাজগুলো করতে পারছি না। আমরা ব্যাট টু ব্যাক দুটি উইকেট হারিয়েছি যেখানে দুটি রান নিতে পারিনি। এটাতে দোষ দিচ্ছি না। তবে আমাদের এসব বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে।’
বাংলাদেশ দলপতি আরও বলেন, ‘যে ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে যাবে তার উচিত হবে ইনিংস এগিয়ে নেওয়া। সে ব্যাটারকে লম্বা সময় ধরে ব্যাট করতে হবে। চতুর্থ ওভারের পর থেকে আমরা ভালো ব্যাটিং করতে পারিনি। এ সময় টানা উইকেট পড়ে গেছে আমাদের।’