টানা দুই ম্যাচ জিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ আগেই কব্জায় নিয়েছিল আয়ারল্যান্ড। কিন্তু সিরিজের তৃতীয় এবং শেষ ম্যাচে এসে ইতালি যা পেল তাতে তাদের সিরিজ হারের দুঃখ উড়ে গেল। আয়ারল্যান্ডকে সিরিজের শেষ ম্যাচে হারিয়ে দিল ইতালি। আইসিসির পূর্ণ সদস্যের দলের বিরুদ্ধে এটাই ইতালির প্রথম জয়। ৪ উইকেটের এই জয় ইতালির ক্রিকেট ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
দুবাইয়ে সিরিজের শেষ ম্যাচে আয়ারল্যান্ড আগে ব্যাট করে ১৫৪ রানে গুটিয়ে যায়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন ওপেনার পল স্টার্লিং। ৩ ছক্কা ও ২ বাউন্ডারিতে ৩৮ বলে এই রান করেন তিনি। শেষের দিকে মার্ক অ্যাডায়ের ২১ বলে ২৫ রান তোলায় আইরিশদের স্কোর দেড়শর কোটা পার করে।
এই রান তাড়া করতে নেমে ইতালির শুরুটা মোটেও ভালো কিছু হয়নি। ২২ রানে ২ উইকেট হারায় তারা। সেই ধাক্কা সামাল দিয়ে অধিনায়ক ওয়েনি ম্যাডসেন দলকে স্বপ্ন দেখান। ৩০ বলে তার ৩৯ রানের ইনিংস জানিয়ে দেয় আইরিশদের বোলিং সামাল দেওয়ার মতো দক্ষতা আছে ইতালির ব্যাটারদের। দলের ১০৮ রানের সময় অধিনায়ক ম্যাডসেন ফিরে গেলে দায়িত্বটা কাঁধে নেন মিডলঅর্ডার ব্যাটার গ্র্যান্ট স্টুয়ার্ট। ৪ ছক্কা ও ১ বাউন্ডারিতে তার ১৯ বলে হার না মানা ৩৩ রানের ইনিংস ইতালিকে এনে দেয় অবিস্মরণীয় জয়! তিন বল বাকি থাকতেই টার্গেট পুরো করে ইতালি।
৪ উইকেটের জয়ের পর মাঠজুড়ে ইতালির আনন্দ-উৎসব ছিল দেখার মতো। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলছে ইতালি। বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘সি’ তে খেলবে ইতালি। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, নেপাল, স্কটল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
আয়ারল্যান্ড : ১৫৪/১০ (১৯.৪ ওভারে, স্টার্লিং ৪৫, অ্যাডেয়ার ২৫, কালুগামাগে ৩/২৮)।
ইতালি : ১৫৭/৬ (১৯.৩ ওভারে, ম্যাডসেন ৩৯, গ্রান্ট স্টুয়ার্ট ৩৩*)। ফল : ইতালি ৪ উইকেটে জয়ী। সিরিজ : আয়ারল্যান্ড ২, ইতালি ১।