হোম > বিশ্ব

ইউক্রেন চুক্তিতে রাজি না হলে যে পদক্ষেপ নেবে রাশিয়া

আতিকুর রহমান নগরী

ছবি: বিবিসি

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেন যদি কোনো চুক্তিতে রাজি না হয়, তাহলে রাশিয়া তার সকল লক্ষ্য পুরণে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত। বুধবার চীনে বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নেওয়ার পর তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। খবর বিবিসির।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পুতিনকে যুদ্ধ শেষ করার জন্য রাজি করাতে চেষ্টা করেছেন। তবে রুশ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘আন্তরিক ইচ্ছার’ প্রশংসা করলেও এখন পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ করেননি।

অন্যদিকে ইউক্রেন সফরে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বিবিসিকে বলেন, ট্রাম্প অন্তত পুতিনকে আলোচনার টেবিলে এনেছেন। প্রয়োজনে যুক্তরাজ্যসহ মিত্ররা রাশিয়ার ওপর বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করবে এবং ইউক্রেনকে আরো সামরিক সহায়তা দেবে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে পুতিন বলেন, ‘আমি কখনোই এমন বৈঠকের সম্ভাবনা বাতিল করিনি। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, এতে কোনো লাভ হবে কি না? দেখা যাক।’

রুশ প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, ইউক্রেনে কোনো অগ্রগতি আনতে হলে কিয়েভ সরকারকে প্রথমে সামরিক আইন বাতিল করতে হবে, নির্বাচন আয়োজন করতে হবে এবং ভূখণ্ডসংক্রান্ত বিষয়ে গণভোট দিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, এ ধরনের বৈঠকের আগে যথাযথ প্রস্তুতি প্রয়োজন। এমনকি জেলেনস্কি চাইলে মস্কোতেও আসতে পারেন।

তবে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ প্রস্তাবকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য উল্লেখ করে একে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি দীর্ঘদিন ধরে পুতিনের সাথে বৈঠকের দাবি জানাচ্ছেন, যাতে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির শর্তগুলো নিয়ে সরাসরি আলোচনা করা যায়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও দুই নেতাকে বৈঠকে বসানোর চেষ্টা করছেন।

আরএ

ইরানের প্রেসিডেন্টের বার্তা ‘স্পষ্ট’- বললেন মুখপাত্র

ইরানের ৪২ জাহাজ ধ্বংসের দাবি করলেন ট্রাম্প

এক সপ্তাহে ১১৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান, দাবি জর্ডানের

ইরানের ওপর হামলা বন্ধের দাবিতে লন্ডনে বিক্ষোভ মিছিল

ইরানের ১৬টি বিমান ধ্বংসের দাবি ইসরাইলের

ট্রাম্পের হুমকির পর ইরানও হামলার জন্য নতুন মার্কিন স্থাপনা খুঁজছে

ইরান ইস্যুতে সংলাপের আহ্বান এরদোয়ানের

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় ভারতে বাড়ল গ্যাসের দাম

ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থানের ছবি শেয়ার করলে ‘কঠোর’ প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী তেল ট্যাংকারে হামলার দাবি ইরানের