ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া বিবৃতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের “তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠনের চেষ্টা করেছে এবং দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছে, যা এখন ইউরোপে আমাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও মিত্রদের, বিদেশে অবস্থানরত আমাদের সেনাদের হুমকির মুখে ফেলতে পারে এবং এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডেও পৌঁছাতে সক্ষম হতে পারে”।
ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘বড়’ অভিযান পরিচালনা করছে, যার লক্ষ্য হলো "এই অত্যন্ত দুষ্ট ও উগ্র স্বৈরশাসনকে আমেরিকাকে হুমকি দেওয়া থেকে বিরত রাখা"।
ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হলো ইরান থেকে ‘আসন্ন হুমকি দূর করা’। শনিবার সকালে ইরানে হামলা শুরু করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার বলেছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা করবে কি-না সেই সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
তবে তিনি বলেছেন পারমাণিবক আলোচনায় ইরানের অবস্থানের বিষয়ে তিনি সন্তুষ্ট নন।
তিনি বলেন ‘আমাদের যা প্রয়োজন ইরান তা দিতে রাজি নয়’। তিনি তখন জোর দিয়ে বলেন যে “ইরান পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারে না”।
সপ্তাহের শুরুতে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষই জানিয়েছে যে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে।
ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছিল যেন তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন একটি চুক্তিতে রাজি হয়। ট্রাম্প বারবার বলেছেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র “দ্রুত এবং শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে” পদক্ষেপ নিতে “প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম”।