শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য পাকিস্তানের দেওয়া একটি প্রস্তাব জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত হয়েছে। মঙ্গলবার সর্বসম্মতিক্রমে ‘বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির জন্য ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ’ শীর্ষক প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। এটি পাকিস্তানের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক সাফল্য। খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের।
নিরাপত্তা পরিষদে মঙ্গলবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। পাকিস্তানের প্রস্তাব গৃহীত হওয়াকে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী অগ্রগতি হিসেবে প্রশংসিত করা হয়েছে।
পাকিস্তান সরকারের একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, এই প্রস্তাবটি জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয়। প্রস্তাবে প্রতিরোধমূলক কূটনীতি, সংঘাত নিরসন এবং বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
জাতিসংঘ নীতিমালা শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তিকে অগ্রাধিকার দিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে উৎসাহিত করে।
গৃহীত প্রস্তাবটিতে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র এবং সংস্থা উভয়কেই আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক এবং উপ-আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রাথমিক কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা, মধ্যস্থতা, সংলাপ সহজীকরণ এবং আস্থা তৈরির ব্যবস্থা খোঁজার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এতে বিরোধ কমানো এবং টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় আঞ্চলিক সংস্থা এবং জাতিসংঘের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।
প্রস্তাব গৃহীত হওয়াকে বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য একটি অর্থপূর্ণ অবদান হিসেবে অভিহিত করেছে ইসলামাবাদ।
এদিকে, উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার অস্ট্রিয়ার বৈশ্বিক বিষয়ক বিশেষ দূত পিটার লনস্কির সাথে বৈঠক করেছেন।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে দুই পক্ষই। শিক্ষা, পর্যটন এবং ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরো বাড়ানোর বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।
আরএ