ইরান জানিয়েছে, ওমান উপসাগরে তাদের সমুদ্রসীমার কাছে আসায় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি ডেস্ট্রয়ারকে (যুদ্ধজাহাজ) পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, বিষয়টি ছিল পুরোপুরি পেশাদার এবং তাদের নৌ মিশনের ওপর এর কোন প্রভাব পড়েনি। খবর আল জাজিরার।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বুধবারের ঘটনার ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ করেছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ফিটজেরাল্ড ইরানের সমুদ্রসীমার কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। একে উস্কানিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে ইরান।
ঘটনার ভিডিও ফুটেজে একটি হেলিকপ্টার যুদ্ধজাহাজের খুব কাছে উড়তে দেখা যায় এবং একজন ইরানি ক্রু সদস্যকে ইংরেজিতে রেডিও সতর্কীকরণ বার্তা পাঠাতে শোনা যায়। বার্তায় তিনি যুদ্ধজাহাজটিকে স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে দিক পরিবর্তন করার নির্দেশ দেন।
ইরানের বিমানটি চলে না গেলে, মার্কিন ডেস্ট্রয়ার থেকে তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর হুমকি দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে জানায় আল জাজিরা। ইরানি সামরিক বাহিনীর অব্যাহত সতর্কবার্তার পর অবশেষে জাহাজটি এলাকা ত্যাগ করে।
মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড ইরানের বিবরণের বিরোধিতা করে, ঘটনাটিকে ‘নিরাপদ এবং পেশাদার’ বলে অভিহিত করেছে।
গত জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলা চালিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের যুদ্ধে নিজেদেরকে জড়িয়ে ফেলে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হামলাকে অসাধারণ সাফল্য হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার দাবি মার্কিন হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
আরএ