হোম > বিশ্ব

সুমুদ ফ্লোটিলার নৌযান আটকিয়ে গ্রেটা থুনবার্গকে নিয়ে গেল ইসরাইলি সেনারা

আতিকুর রহমান নগরী

সুমুদ ফ্লোটিলার একটি নৌযান থেকে গ্রেটা থুনবার্গকে নিয়ে যান ইসরাইলি সেনারা।

গাজা উপত্যকার দিকে যাওয়া নৌবহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলাতে হস্তক্ষেপ শুরু করেছে ইসরাইলি সেনারা। আদারা ও আলমাসহ কয়েকটি জাহাজে দখলদার ইসরাইলি সেনারা উঠে পড়েছে। অন্যতম অভিযাত্রী ও সুইডিশ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করে নিয়ে গেছে ইসরাইলি সেনারা। নৌবহরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের কয়েকটি নৌযানে ইসরাইলি সেনারা গেরিলা অভিযান চালিয়ে সেখানে অবস্থান নিয়েছে।

সুমুদ ফ্লোটিলার অফিসিয়াল চ্যানেলগুলোর একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মিশনের জাহাজগুলোকে অবৈধভাবে আটক করা হচ্ছে। ক্যামেরা অফলাইনে আছে এবং সামরিক কর্মীরা জাহাজে উঠেছেন। আমরা জাহাজে থাকা সকল অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা এবং অবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছি।

এদিকে ইসরাইলি বাহিনী জানিয়েছে, গ্রেটা থুনবার্গ ও তার সঙ্গীরা নিরাপদ এবং সুস্থ আছেন। তবে ফ্লোটিলার সঙ্গে গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাসের কোনো যোগসাজস রয়েছে-এমন কোনো প্রমাণ এখনও হাজির করতে পারেনি ইসরাইলি সেনারা।

ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সুমুদ ফ্লোটিলর কয়েকটি নৌযান নিরাপদে থামানো হয়েছে এবং অভিযাত্রীদের ইসরাইলের একটি বন্দরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক ভিডিওতে এসব দেখা যায়।

আন্তর্জাতিক এই বহরটিতে বিশ্বের ৪০টি দেশের প্রায় ৫০০ অধিকারকর্মী ৪৫টি ছোট-বড় নৌযান রয়েছে যারা গাজাবাসীর জন্য ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছে।

ফ্লোটিলার আয়োজক সংগঠন ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন অভিযোগ করেছে, আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় উসকানি ছাড়াই আক্রমণ চালিয়ে নিরস্ত্র মানুষকে অপহরণ করেছে ইসরাইল।

পশ্চিমবঙ্গে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস

পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন মার্কিন ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টার প্রধান

ইসরাইলি সেনাদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর রকেট হামলা

জ্বালানি সাশ্রয় করতে শ্রীলঙ্কায় সপ্তাহে ৩ দিন ছুটি ঘোষণা

ইরান আমাদের জন্য কোনো হুমকি ছিল না: মার্কিন এনসিটিসি প্রধান

ইরানে যুদ্ধের জন্য সেনা পাঠাবে না পোল্যান্ড

ইরান যুদ্ধে সমর্থন নেই জানিয়ে মার্কিন এনসিটিসি প্রধানের পদত্যাগ

৯ এপ্রিল পর্যন্ত তেল আবিব ফ্লাইট বাতিল করেছে জার্মানি

ইসরাইলি সেনাদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর রকেট হামলা

ইসরাইলি হামলায় লক্ষ্যবস্তু ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব