অবশেষে সামাজিকমাধ্যম থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে নেপাল সরকার। নেপালের যোগাযোগ, তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক মন্ত্রী পৃথ্বী সুব্বা গুরুং গতকাল সোমবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন। মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান তিনি। খবর এনডিটিভির।
সেইসঙ্গে মন্ত্রিসভা সোমবারের সহিংসতার ঘটনা তদন্তে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে। প্রতিবেদন তৈরির জন্য ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।
তবে তিনি এটাও জানিয়েছেন যে, সরকার সামাজিকমাধ্যম বন্ধ করার বিষয়ে আগের সিদ্ধান্তের জন্য অনুতপ্ত নয়।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু এই বিষয়টিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে বিক্ষোভ করা হচ্ছিল, তাই সামজিকমাশ্যদগুলো পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
বিক্ষোভ প্রত্যাহার করতে জেন-জিদের প্রতি অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে, নতুন প্রজন্মের দাবির প্রতি সরকার কখনই নেতবাচিক ছিল না বলে জানিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি। বিক্ষোভ দমনে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে দায়ী করেছেন বিভিন্ন দলের নেতা ও বিক্ষোভকারীরা।
এক বিবৃতিতে নেপালের প্রধানমনন্ত্রী বলেছেন, ‘বিক্ষোভে সহিংসতা তৈরি করতে কিছু বিশৃঙ্খলাকারীর অনুপ্রবেশ ঘটে। সেইসাথে কিছু সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর থেকে রক্ষা করতে নিরাপত্তা বাহিনী চেষ্টা করে। আর এটা করতে গিয়েই অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক কিছু ঘটনা ঘটেছে।’
তিনি বলেন, সামাজিকমাধ্যম নিষিদ্ধ করার কোনো নীতি সরকারের নেই।
প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা আরো জানান, সামাজিকমাধ্যম ‘এক্স’ এমনভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, যা নেপালের জাতীয় সার্বভৌমত্বকে অসম্মান করে। একজন মন্ত্রী জানান, এক্স বলেছে যে তারা নেপালে মোটেও নিবন্ধিত হবে না।
আরএ