গাজা যুদ্ধের সময় ইসরাইলের হাতে শীর্ষ নেতৃত্বের নিহত হওয়ার পর ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংঘঠন হামাস তাদের নেতৃত্ব পুনর্গঠনের জন্য অভ্যন্তরীণ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। হামাসের এক নেতা জানিয়েছেন, নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি চলছে এবং ভোট নেওয়া হবে ২০২৬ সালের প্রথম মাসের মধ্যে, যখন পরিস্থিতি যথেষ্ট স্থিতিশীল হবে।
সোমবার তুরস্কভিত্তিক গণমাধ্যম ডেইলি সাবাহ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, হামাসের নেতৃত্ব পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ৫০ সদস্যের নতুন শুরা কাউন্সিল গঠন, যা ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের দ্বারা প্রভাবিত একটি পরামর্শদাতা সংস্থা হিসেবে কাজ করবে। হামাসের তিনটি শাখা—গাজা উপত্যকা, অধিকৃত পশ্চিম তীর এবং প্রবাসী নেতৃত্ব—প্রতি চার বছর অন্তর নিজেদের সদস্যদের নির্বাচন করে।
যুদ্ধের আগে অনুষ্ঠিত পূর্ববর্তী নির্বাচনে, সদস্যরা মসজিদ ও অন্যান্য স্থানে একত্রিত হয়ে শুরা কাউন্সিল নির্বাচনের ভোট দেন। নতুন কাউন্সিল রাজনৈতিক ব্যুরো ও সামগ্রিক নেতার নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবে।
সূত্র মতে, রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান পদে দুই প্রার্থী এগিয়ে আছেন: গাজার হায়া খলিল আল-হাইয়া এবং প্রবাসী নেতা খালেদ মেশাল। হায়া গাজার শাখা এবং সামরিক শাখা এজ্জেদিন আল-কাসসাম ব্রিগেডের সমর্থন পাচ্ছেন। অন্য সম্ভাব্য প্রার্থীর মধ্যে পশ্চিম তীরের নেতা জাহের জাবারিন এবং শুরা কাউন্সিলের প্রধান নিজার আওয়াদাল্লাহ রয়েছেন।
হামাসের মতে, নেতৃত্ব পুনর্গঠন ও নির্বাচন গাজার বাসিন্দাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করার পাশাপাশি আন্দোলনের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।