ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে নিহত সপ্তম মার্কিন সেনার মরদেহ যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে। সোমবার মরদেহ গ্রহণ অনুষ্ঠানে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স উপস্থিত ছিলেন।
নিহত সেনা সদস্যের নাম সার্জেন্ট বেঞ্জামিন পেনিংটন (২৬)। গত ১ মার্চ সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে ৮ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
পেনিংটনের বাড়ি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যের গ্লেনডেল শহরে। তিনি কলোরাডোর ফোর্ট কারসনভিত্তিক প্রথম স্পেস ব্যাটালিয়ন, প্রথম স্পেস ব্রিগেডে কর্মরত ছিলেন।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মরদেহ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি।
যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য ডেলাওয়্যার অঙ্গরাজ্যের ডোভার এয়ার ফোর্স ঘাঁটিতে মরদেহ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন।
অনুষ্ঠানে ইউনিফর্ম পরিহিত সেনারা যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে একটি সি-১৭ বিমান থেকে জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিন নামিয়ে নীরবে নির্দিষ্ট গাড়িতে তুলে দেন। এ সময় ভ্যান্স, হেগসেথ ও কেইনসহ এবং শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা সম্মান প্রদর্শন করেন।
এর আগে আরও ছয় মার্কিন সেনার মরদেহ যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও একজন নারী।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে ব্যাপক হামলা শুরু করে। এর জবাবে তেহরান অঞ্চলটির বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত মার্কিন সেনা বা ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।
মরদেহ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর সিএনএনকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় উইসকনসিনের ডেমোক্র্যাট সিনেটর ট্যামি বাল্ডউইন বলেন, ‘যুদ্ধের মূল্য যে কতটা ভয়াবহ-এটি তা মনে করিয়ে দেয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আর কোন সেনার মৃত্যু চাই না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি চাই করদাতাদের কোটি কোটি ডলার নষ্ট হওয়া বন্ধ হোক। এ জন্য অবশ্যই এই প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কংগ্রেসে এসে জনসমক্ষে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য করা উচিত।’
এসআর