ড. মো. খলিলুর রহমান

একদিকে সাগরের বিস্তৃত জলরাশি আর অন্যদিকে সবুজ বনানিতে আচ্ছাদিত পাহাড়ের সারি। প্রকৃতির এক অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। প্রাচ্যের রানিখ্যাত চট্টগ্রামের প্রাণকেন্দ্র খুলশীর মনোরম পরিবেশে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু)।

বাংলাদেশের জনসম্পদের মেধার উন্নয়ন, তাদের সঠিক ব্যবহার এবং প্রয়োগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন অনন্য পথিকৃৎ রাষ্ট্রনায়ক।

আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসে ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকারকে পরাজিত করে। সে নির্বাচনটি যে পুরোপুরি নিরপেক্ষ ছিল, তা অধিকাংশ জনগণই মনে করে না; কারণ ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদের নির্বাচনই ছিল পুরোপুরি সুষ্ঠু নির্বাচন। সে নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করে, যে সত্য সর্বজনস্বীকৃত।

দীর্ঘ অনেক বছর বিগত প্রথমবারের আওয়ামী শাসনের ভুলত্রুটি ও অত্যাচারের জন্য করজোড়ে মাফ চেয়ে তসবি দেখিয়ে ভোল পাল্টিয়ে আবার ক্ষমতার মসনদে আরোহণ করে বিগত সরকার, যাকে বলে শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী সরকার।

কলকাতা বন্দরকে নদীর পলির হাত থেকে রক্ষা করার অজুহাতে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে মাত্র ১১ মাইল ভেতরে পশ্চিম বঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গীপুর গ্রামে নির্মাণ করা হয় ফারাক্কা বাঁধ।

কারণ পরিস্থিতি তখন ভয়াবহ। কেন, তার সরকার ভালো জানে, তখনকার সময়ে আমাদের খাদ্য ঘাটতি ছিল ২০-০৯-১৯৯৮ সালে ৪৩ লাখ টন। তখন ভারতেও বন্যা, চীনেও সেবার বন্যা হয়েছে। তখনকার সরকার বার্মা ও থাইল্যান্ড থেকে চাল আমদানি করেছে, তাদের ব্যবসায়ী মনোবৃত্তি ভালো। আর আমাদের সাবেক সরকারি সিদ্ধান্ত ছিল শুধু ভারত থেকে চাল

আমরা ছেলের চেহারা বাপের মতো হলে বলি বাপকা বেটা, মেয়ের চেহারা মায়ের মতো হলে বলি মাকা বেটি। আসলে ছেলেমেয়ের চেহারা মা-বাবা, নানা-নানি, দাদা-দাদি যে কারো চেহারার সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার ঘোষণা ছিল১৯৭০ সালেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ ব্যাপকভাবে জয়ী হবে বলে জনজোয়ার তৈরি হয়েছিল। পশ্চিম পাকিস্তানিরা ভাবত যে চূড়ান্ত বিজয় তাদেরই হবে। কারণ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া আর ভুট্টোরা ছিল পশ্চিম পাকিস্তানি।