ফাহিম হাসনাত

‘দর্শন’ শব্দটি শুনলেই মাথায় আসে সক্রেটিস, প্লেটো কিংবা অ্যারিস্টটলের মতো মহাজ্ঞানীদের মুখ। মানবসভ্যতার বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসে দর্শন এমন এক শাস্ত্র, যা চিন্তার গভীরতা দিয়ে পরিমাপ করা হয়। একে বলা হয় সব বিজ্ঞানের মা। আর এই ভাবনার রাজ্যে হেঁটেই নিজের পথ খুঁজে নিয়েছেন।

পাঠচক্রটি পরিচালনা করেন ‘আমার দেশ পাঠকমেলা’র জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য রাহুল শেখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাঠকমেলার অন্যতম সদস্য আকিব হাসান, শেখ মুন্না, রায়হান আহমেদ, রিয়াদ হোসাইন, সাদমান সাকিব, আবুল কালাম ও আশরাফুল। সভায় আলোচকরা বিশেষভাবে গুরুত্ব দেন সাংবাদিকদের ভূমিকার ওপর।

পুরান ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে ভিক্টোরিয়া পার্ক বা বাহাদুর শাহ পার্কের কোলাহল ছাপিয়ে লাল ইটের গায়ে লেগে আছে সময়ের সোনালি আঁচড়। এটি শুধু স্থাপত্য নয়, এটি এক জীবন্ত ইতিহাস, জ্ঞানের অহর্নিশ আলোকবর্তিকা—জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। দেড় শতাব্দীরও অধিককাল ধরে দাঁড়িয়ে থাকা এই বিদ্যাপীঠ শুধু শিক্ষার্থীই তৈরি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এবারের ঈদ কেটেছে ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতায়—কেউ নিজেকে খুঁজে পেয়েছেন ভার্চুয়াল আনন্দের সীমাবদ্ধতায়, কেউ মেতেছেন পারিবারিক উচ্ছ্বাসে, আবার কেউ ডুব দিয়েছেন গভীর আত্মত্যাগ ও আত্মজিজ্ঞাসায়।

হঠাৎ একদিন ৯ বন্ধু মিলে রওনা হলাম রাঙামাটির ছাদ সাজেক ভ্যালির পথে। প্রকৃতির এক অসাধারণ সৃষ্টি। বাংলাদেশের বুকে পাহাড়ি জনপদটি তার মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য, শান্ত-স্নিগ্ধ পরিবেশ দিয়ে সহজেই পর্যটকদের মন জয় করে।

বাংলা নববর্ষ মানেই নতুন আশার আলো, নতুন করে পথচলার অঙ্গীকার। ১৪৩২ বঙ্গাব্দের এই বৈশাখে ঢাকা শহরের ব্যস্ততার ভেতর এক ব্যতিক্রমী বিকালের সাক্ষী হয়েছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। সে পাঠকমেলার আয়োজন ছিল শুধুই বইয়ের উৎসব নয়, ছিল এক মানবিক উদ্যোগ, যেখানে ছিন্নমূল শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া হয় শিক্ষাসামগ্রী, ভালোব

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের এলাকায় অনেক দুস্থ, অসচ্ছল ও অসহায় মানুষ বাস করে। তাদের মধ্যে আছে রিকশাচালক, ফুল বিক্রেতা, ভবঘুরে, অসহায় নারী ও পথশিশুরা। ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আমার দেশ পাঠক মেলা’র সদস্যরা ছিন্নমূল এসব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন ৬ মার্চ।