উম্মেহানী বিনতে আব্দুর রহমান

হিজরতের পর মদিনা শহর নতুন এক ইতিহাসের জন্ম দিয়েছে। বাতাসে খেজুর বাগানের গন্ধ, ওহুদের রঙ বদলানো পাহাড়, এসবের মধ্যে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক নারী, যার হৃদয় ছিল স্বর্ণদীপ্ত, দৃঢ়তায় ছিলেন পাহাড়ের মতো শক্ত।

মানুষ আকৃতি ও মস্তিষ্কের জটিল নার্ভ সিস্টেমে গঠিত এক বিস্ময়কর সৃষ্টি, যা আল্লাহর সৃষ্টির মাঝে সেরা, যেখানে entrusted হয়েছে ন্যায়, করুণা ও সৌন্দর্যের নানা দিক। মানুষের স্বভাবসুলভ সেই পারিপার্শ্বিক অবস্থা এখন মানুষই যেন ভুলে গেছে। পৃথিবীর দিকে দিকে মানুষ এখন নিজের মিশন, নিজের কর্ম—সব ভুলে নির্দয়

হিজরির অষ্টম বছর, রমজান মাস। মক্কার চারপাশের পাহাড় আর উপত্যকা শুকনো কাষ্ঠের মতো, সময়টা বসন্তের শেষের আবহাওয়াময়। কিছু জায়গায় মাথা উঁচু করে আছে সবুজ ঘাসের প্রাণচাঞ্চল্য।

৬১৫ খ্রিষ্টাব্দ। এ ছিল মানব ইতিহাসের প্রথম আলোঝলমল হিজরত, যা সংঘটিত হয়েছিল নবুয়তের পঞ্চম বছরে। আল্লাহর ইচ্ছায় সে সময় আবিসিনিয়ার শাসনভার ছিল যার, তিনি ছিলেন সম্রাট আসহামা ইবনে আবহার।

৬২২ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ জুলাই, আরবের প্রজ্বালিত রৌদ্রদাহ ও উত্তপ্ত বালুকণার মধ্যেও এক মহান ইতিহাসের সূচনা হয়। রাসুল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা থেকে মদিনা অভিমুখে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ হিজরত শুরু করেন, যা ইসলামের ইতিহাসে শুধু এক স্থানান্তর নয়; বরং ছিল এক নতুন যুগের সূচনা। হিজরত ম

আমাদের ঈমানের বিরানভূমিকে যিনি সবুজ-সতেজ করে তুলেছেন, যাঁর অনুপ্রেরণা, শিক্ষা ও জীবনাদর্শ আমাদের তাকওয়াপূর্ণ জীবন ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে সহায়তা করেছে, তিনি খাতামুন নাবিয়্যিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

মুমিন নারী প্রশান্তির প্রস্রবণের মতো, যা মলিনতা ও একাকিত্ব মুছে দেয় এবং প্রাণে সঞ্চিত করে প্রেমময়তা। এ মহান অনুভূতি রব কর্তৃক মনোনীত, যা পারিবারিক ব্যবস্থাপনায় সুসজ্জিত। গোটা পৃথিবী পারিবারিক ব্যবস্থার ওপর দাঁড়িয়ে আছে।