এরশাদ সোহেল, তজুমদ্দিন (ভোলা)

এরশাদ সোহেল, তজুমদ্দিন (ভোলা)

পরিচিতি

এরশাদ সোহেল, তজুমদ্দিন (ভোলা)

সাম্প্রতিক নিবন্ধসমূহ

নিবন্ধ
তজুমদ্দিনের স্টেডিয়াম মাদকসেবীদের দখলেসারা দেশ
৪ দিন আগে

তজুমদ্দিনের স্টেডিয়াম মাদকসেবীদের দখলে

যেখানে এক সময় দেশি-বিদেশি খেলোয়াড় আর হাজারো দর্শকের করতালিতে মুখর থাকত, সেখানে এখন তৈরি হয়েছে ভূতুড়ে পরিবেশ আর মাদকসেবীদের আড্ডাস্থল । নেই ফুটবলের জোরালো কিকের শব্দ কিংবা চার-ছক্কার করতালির আওয়াজ। ভোলার তজুমদ্দিনের একমাত্র স্টেডিয়াম এখন মাদকসেবীদের দখলে। স্টেডিয়ামটিতে এখন আর হয় না কোনো ঘরোয়া লীগ

ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তজুমদ্দিনের হাজারো জেলেসারা দেশ
১৭ মার্চ ২০২৬

ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তজুমদ্দিনের হাজারো জেলে

মেঘনায় দুই মাসের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় দুর্বিষহ দিন কাটছে তজুমদ্দিনের হাজারো জেলের। ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবেন জেলেরা।

তজুমদ্দিনে ১২৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেই শহীদ মিনারসারা দেশ
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

তজুমদ্দিনে ১২৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেই শহীদ মিনার

'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' ভাষা শহিদদের নিয়ে এমন প্রবাদ বাক্য এবং সংগীতের কোনো কমতি না থাকলেও শহিদ মিনার না থাকায় শিক্ষার্থীরা ভুলতে বসেছে মায়ের ভাষার জন্য আত্মত্যাগকারী শহিদদের, ভুলে গেছে ভাষা আন্দোলনের প্রকৃত ইতিহাস।

বিলুপ্তপ্রায় মৃৎশিল্পে ভাগ্যবদলসারা দেশ
০২ নভেম্বর ২০২৫

বিলুপ্তপ্রায় মৃৎশিল্পে ভাগ্যবদল

নিউটন পাল নামে আরেক মৃৎশিল্পী বলেন, একেকজন প্রতিদিন ২৫০-৪০০ পাত্র বানাতে পারেন। এগুলো প্রতি পিচ বানাতে খরচ পড়ে ৭-৮ টাকা আর বিক্রি হয় ১১-১২ টাকায়। তাতে প্রতি মাসে একেকজনের ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা লাভ হয়।

কিছু খেলে বুকে ব্যথা হয় গুলিবিদ্ধ কিশোর সিহানেরজুলাই বিপ্লব
২৬ মে ২০২৫

কিছু খেলে বুকে ব্যথা হয় গুলিবিদ্ধ কিশোর সিহানের

শিক্ষার্থী সিহানের ছিল আকাশছোঁয়া স্বপ্ন। তার মধ্যে অন্যতম ছিল উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পরিবারের অসচ্ছলতা দূর করা। মাত্র ১৬ বছর বয়সে ফ্যাসিবাদের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয় দশম শ্রেণি পড়ুয়া এই কিশোর।

অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে ফিরেছেন লাশ হয়েজুলাই বিপ্লব
১৫ জানুয়ারি ২০২৫

অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে ফিরেছেন লাশ হয়ে

শহীদ মনিরের স্ত্রী রোজিনা বেগম বলেন, শাহবাগে তার (মনিরের) পেটে গুলি লাগে। আমরা রাত ৩টায় তার মৃত্যুসংবাদ পাই। প্রথমে ভয়ে আত্মীয়-স্বজনের কেউই লাশ আনতে যেতে চাননি।