ড. মো. ফরিদ তালুকদার

বাংলাদেশে কয়েক দিন ধরে একটি বিষয় নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে, আর তা হলো—তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা নাকি বাংলাদেশে সক্রিয় হয়ে বড় ধরনের রাজনৈতিক নাশকতার পরিকল্পনা করছে। আলোচনা ছড়ানোর ধরন, ব্যবহৃত ভাষা এবং যেসব ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এ ধরনের বক্তব্য বাজারে ছড়াচ্ছে, তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড বিশ্লেষণ করলে সহজেই বোঝা

ডানপন্থার রাজনীতি নিয়ে বাংলাদেশে কৃত্রিমভাবে ভয়ের একটা পরিবেশ সৃষ্টি করে রাখা হয়েছে। জনগণ যখনই তাদের স্বাধীনতা ক্লেইম করতে চায়, স্বাধীনভাবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে চায় অথবা রাজনৈতিক মতপ্রকাশ করতে চায়, তা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য কিছু রাজনীতিবিদ এবং কিছু বুদ্ধিজীবী নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে জনগণকে

ফ্যাসিস্ট শাসক মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ এনে বছরের পর বছর জিয়াউর রহমান, বেগম জিয়া এবং তারেক রহমানের চরিত্রহনন করেছে। এই মিথ্যার প্রভাব এখনো সমাজে রয়ে গেছে; অনেক মানুষ আজও সেই মিথ্যাকে বিশ্বাস করে।

১৯৭১ সালে শক্তিশালী পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গিয়ে জিয়াউর রহমান বললেন, ‘উই রিভল্ট’। যুদ্ধ করলেন, দেশ স্বাধীন করে ফিরে গেলেন ব্যারাকে। পরে, যখন দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলো একনায়কতান্ত্রিক বাকশাল, দেশ যখন রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে ছিন্নভিন্ন, বাংলাদেশপন্থি রাজনীতিকে

কোনো দেশে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন নিছক রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, এটি একটি গভীর ও সময়সন্ধির মুহূর্ত। ইতিহাস বলছে, এ ধরনের পতনের পর রাষ্ট্রগুলো সাধারণত প্রবেশ করে এক নতুন বাস্তবতায়, যাকে বলা হয় ‘ফ্যাসিবাদ-পরবর্তী যুগ’ অথবা ‘উত্তর-ফ্যাসিবাদ অধ্যায়’।

অপার সম্ভাবনাময় দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশের যখন অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক ও সামরিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে থাকার কথা, ঠিক সে সময় এদেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয় এক ভয়ংকর ফ্যাসিবাদী শাসন।

৮ নভেম্বর ২০১৬, বাসা থেকে ট্রেনে চেপে ক্লাসে যাচ্ছি টেক্সাসের অন্যতম বড় শহর ডালাস ডাউনটাউনে। ট্রেনের মধ্যে বোঝার উপায় নেই যে পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে।

মধ্যপ্রাচ্য তার ভৌগোলিক অবস্থান, অর্থনীতি, রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং ধর্মীয় প্রভাবের কারণে একই সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল। এই অঞ্চল আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পরাশক্তি রাষ্ট্রগুলোর বৈদেশিক নীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

গুম, খুন, অর্থ পাচার, ভোটাধিকার হরণ ছিল পতিত ফ্যাসিস্ট শাসনব্যবস্থার স্তম্ভ বা খুঁটি, যা নিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরে কিছুটা হলেও সমালোচনা জারি আছে।