মাহবুব উল্লাহ

আজ ১৬ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী ভারতের সামরিক বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে রমনার রেসকোর্স (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ময়দানে। বাহিনী দুটির পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজি এবং ভারতের পক্ষে স্বাক্ষর করেন

বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে আজকের দিন পর্যন্ত আমাদের সাম্প্রতিককালের ইতিহাসের কয়েকটি মাইলফলক রয়েছে। এসব মাইলফলকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-১৯৪৭-এ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের কবল থেকে আজাদি লাভ এবং পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা, ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ছাত্র-জনতার আত্মাহুত

নবগঠিত রাজনৈতিক দলটিকে অন্য রাজনৈতিক দলগুলো স্বাগত জানিয়েছে। আমিও তাদের স্বাগত জানাই। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় দল গড়ার অধিকার যেকোনো নাগরিকের আছে। তবে এ কথা বলা বাহুল্য হবে না যে, নতুন রাজনৈতিক দলটিকে অনেক প্রতিকূলতা ও বাধা ডিঙাতে হবে।

বেশ কিছুদিন হলো ভারতের সেনাপ্রধান বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি অযাচিত মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচিত সরকার এলে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের উন্নতি হবে। এ সম্পর্কে সর্বপ্রথম যে প্রশ্নটি ওঠে, তা হলো-একটি রাষ্ট্রের সেনাপ্রধান কি অন্য রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারে কথা বলতে পারেন?

সংবিধান একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইনি দলিল। রাষ্ট্র গঠিত হওয়ার জন্য প্রয়োজন জনগোষ্ঠী, ভূখণ্ড, আন্তর্জাতিক সীমান্ত ও সার্বভৌমত্ব।

খালেদা জিয়া একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় নেত্রী। তার জনপ্রিয়তার প্রমাণ তিনি দিয়েছেন, একাধিকবার একজন প্রার্থী যে কটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে তার সবগুলোতেই জয়ী হয়ে। অন্যদিকে শেখ হাসিনার এ ধরনের সাফল্যের কোনো রেকর্ড নেই।

২০২৪-এর গণঅভুত্থানের পর বাংলাদেশে এমন কিছু ঘটনা ঘটছে, যার ফলে উদ্বিগ্ন না হয়ে পারা যায় না। সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, মনে হচ্ছে আধিপত্যবাদী প্রতিবেশী আদাজল খেয়ে লেগেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব খর্ব করার জন্য। আমাদের স্বাধীনতা কখনোই খুব নিরাপদ ছিল না।