দিনে সাত মিলিয়ন ঘনফুট উত্তোলনের সম্ভাবনা

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপ খনন শুরু

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপ খনন শুরু

নোয়াখালীর সেনবাগে ‘সুন্দরপুর-৪’ নামে মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন গ্যাসকূপের খননকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এই কূপ থেকে প্রতিদিন পাঁচ-সাত মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের সম্ভাবনা রয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্স (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড) এ খননকাজ পরিচালনা করছে।

বিজ্ঞাপন

গতকাল বুধবার বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাপেক্সের উপমহাব্যবস্থাপক (ড্রিলিং) ও ড্রিলিং ইনচার্জ জাকির হোসেন খান। তিনি জানান, গত মঙ্গলবার দুপুর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কূপ খননের কাজ শুরু হয়েছে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কূপটি সেনবাগের নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে অবস্থিত। তবে এটি একই ভূগর্ভস্থ গ্যাসফিল্ডের অংশ হওয়ায় এর নাম রাখা হয়েছে ‘সুন্দরপুর-৪’। এর আগে কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর এলাকায় সুন্দরপুর গ্যাসফিল্ডের ১, ২ ও ৩ নম্বর কূপ খনন করা হয়েছিল। নতুন কূপটি সুন্দরপুর-২ কূপ থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে হলেও একই রিজার্ভের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এ নামকরণ করা হয়েছে।

এই খনন প্রকল্পের কারিগরি পরিকল্পনা ও সময়সীমা নিয়ে কূপের ড্রিলিং ইনচার্জ জাকির হোসেন বলেন, কূপটির লক্ষ্যমাত্রিক গভীরতা প্রায় এক হাজার ৬০০ মিটার। প্রায় এক হাজার ৩৬১ মিটার গভীরে সম্ভাব্য গ্যাস স্তর রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে খননকাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। এরপর ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) করতে আরো ১৫-২০ দিন লাগবে। সব মিলিয়ে আড়াই মাসের মধ্যে কূপটির চূড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে গ্যাসের মোট মজুত নির্ধারণ করা সম্ভব না হলেও আশপাশের কূপগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করে বাপেক্স আশা করছে, এ কূপ থেকে প্রতিদিন পাঁচ-সাত মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা যেতে পারে।

বাপেক্স সূত্র জানায়, জমি অধিগ্রহণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ শেষে এপ্রিলের শেষদিকে কূপ এলাকায় রিগ স্থাপন করা হয়। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে খনন শুরু হয়। কূপটি সফল হলে জাতীয় গ্রিডে নতুন করে গ্যাস সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জেডএম

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন