সিলেটে জেলা প্রশাসনের ভবনের সামনে থেকে শেখ মুজিবের ম্যুরাল অপসারণে তিনদিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন তৌহিদী জনতা। বৃহস্পতিবার বাদ যোহর নগরীতে এ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
বন্দরবাজার কালেক্টর জামে মসজিদের সামন থেকে মিছিলটি বের হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সিটি পয়েন্টে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন নগরীর জামেয়া মাদানিয়া কাজির বাজার মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ, শিক্ষক মাওলানা রফিকুল ইসলাম মুশতাক, ইমাম সমিতি সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব, সিলেট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মাওলানা মো. রফিকুল ইসলাম, ছাত্রনেতা আখতার আহমদ, সাবেক ছাত্রনেতা নুরুল ইসলাম, আব্দুশ শুকুর, আব্দুল মালেক, লিটন আহমদ চৌধুরী, আলী আহমদ আলী, জিয়াউর রহমান দিপন, শোয়েব আহমদ, শামীম আহমদ, শানুর আহমদ, ফরহাদ আহমদ, জাভেদ আহমদ, শের ইসলাম, হেলাল আহমদ, শাহাদাত আহমদ, সেলিম আহমদ, দুলাল আহমদ, জিল্লুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।
জানা যায়, ৫ আগস্টের ছাত্র জনতার গণঅভ্যুথ্থানের পর ২২ আগস্ট পর্যন্ত শেখ রাসেল হাসান জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন। তখন জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ে জনতাকে ঢুকতে দেয় হতো না। তখনই হয়তো কৌশলে এটাকে ঢেকে রাখা হয়েছে যাতে ছাত্র জনতার দুষ্টিতে না পড়ে। তিনি চলে যাবার পর ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেন সুবর্না সরকার। সেই সময়েই প্রথমে সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। পরে তা দৃষ্টিনন্দন করতে সিলেটের বিভিন্ন পর্যটন স্পটের রঙিন ছবি দিয়ে সাজিয়ে নিচে প্রকৃতি কন্যা সিলেটে স্বাগতম লিখে রাখা হয়।
এ ব্যাপারে কাজির বাজার মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মাওলানা শাহ মমশাদ আহমদ বলেন, পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্টকে খুশি করতেই প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা তার অনুসারীরাই এই কৌশল করেছে। কিন্তু কোন কৌশেলেই পুণ্যভূমিতে মূর্তি রাখতে পারবে না। আমরা হুঁশিয়ারি করে দিচ্ছি।
সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ আমার দেশকে বলেন, কে বা করা এটি তখন ঢেকে রেখেছিল তা আমার জানা নেই। ছাত্র জনতা চাইলে তা অপসারণ করতে পারেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

