গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার কপালেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে স্থানীয় দুই জামায়াতের কর্মী বিনা অনুমতিতে প্রবেশের অভিযোগে সেনাবাহিনীর হাতে আটকের পর মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নির্বাচনি মালামাল নিয়ে কর্মকর্তারা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় জামায়াত কর্মীরা মাঠে ঢুকে পড়েন। পরে সেনাবাহিনী এসে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার আব্দুস সাত্তার জানান, উপজেলা থেকে নির্বাচনের কাজে ব্যবহৃত মালামাল নিয়ে সিংহশ্রী ইউনিয়নের কপালেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিকেল সাড়ে ৫টার সময় প্রবেশ করেন। এ সময় পিছন থেকে ওই এলাকার সবদর আলীর ছেলে নাসির উদ্দিন মাস্টার ও হেলাল উদ্দিনের ছেলে আমরিন রিপন অনুমতি ছাড়া কেন্দ্রে প্রবেশ করে। পরে কোনো এক ফাঁকে তারা চলে যায়। খবর পেয়ে টহলরত সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্রে আসেন।
বিষয়টি জানার জন্য সিসি ক্যামেরা ফুটেজ অনুসন্ধান করেন এবং প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় কবির হোসেনকে দিয়ে পুনরায় তাদের কেন্দ্রে ডেকে আনা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জামায়াত কর্মীরা জানান, না বুঝে তারা মাঠে প্রবেশ করেছিল এবং তারা ভুল স্বীকার করেন।
খবর পেয়ে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট সানিউল কাদের কেন্দ্রে আসেন এবং আটককৃতদের মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেয়া হয়।
এছাড়া উপজেলার টোকনগর দারুল হাদিস আলিয়া মাদরাসা কেন্দ্রে বিনা অনুমতিতে প্রবেশের অভিযোগ উঠে। পরে স্থানীয় বিএনপি কর্মীদের প্রতিরোধের মুখে তারা সটকে পড়েন।
এদিকে, দুর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সোলায়মান মোল্লা জানান, উপজেলার নাশেরা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের আশপাশে ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির আকরাম হোসেন সরকার এবং সাখাওয়াত হোসেন বিকেলে সন্দেহজনকভাবে ঘুরা ফেরা করতে থাকেন। পরে তারা সাধারণ ভোটারদের টাকা দেয়ার সময় স্থানীয়রা তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলে। এবিষয়টি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ খন্দকার আজিজুর রহমান পৌর-সহকারী রিটার্নিং অফিসার, থানার ওসিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

