দিনাজপুরের বিরামপুরে বিয়ের দাবিতে পাঁচদিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছেন এক কিশোর। তবে প্রেমিকা আসার পর থেকেই উধাও রয়েছেন প্রেমিক মেঘনাদ চক্রবর্তী।
ঘটনাটি পৌরশহরের দেবীপুর বনখঞ্জা গ্রামের। অভিযুক্ত মেঘনাদ একই গ্রামের ব্রজেন চক্রবর্তীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি।
এ ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগ এনে বিরামপুর থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর মা। এ নিয়ে স্থানীয়দের বৈঠকে আগামী সাতদিনের মধ্যে মেঘনাদের সঙ্গে কিশোরীর বিয়ের সিদ্ধান্ত দেন গ্রামের প্রতিনিধি সুনীল রায়।
ভুক্তভোগী জানান, চার বছর আগে মেঘনাদের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুবাদে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক মেলামেশা করেন মেঘনাদ। ৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে একই গ্রামে নিজ মামা আপন চক্রবর্তীর ফাঁকা বাড়িতে তাকে ডেকে নেন তিনি।
পরে বন্ধু পঙ্কজ কুমারের সহযোগিতায় তাকে ধর্ষণ করা হয়। স্থানীয়রা টের পেলে পালিয়ে যান প্রেমিক। এরপর থেকে তার মুঠোফোন বন্ধ রয়েছে। এজন্য বাধ্য হয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ওঠেন ভুক্তভোগী এই কিশোরী।
কিশোরী বলেন, বাড়ির লোকজনও মেঘনাদের বিষয়ে কোনো কিছু বলতে পারছেন না। আমাকে বিয়ে না করলে আমি এ বাড়ি ছেড়ে কোথাও যাবো না।
মেঘনাদের মা বলেন, আমার ছেলে কোথায় গেছে জানি না। বাড়িতে এলে তার সঙ্গে এই মেয়ের বিয়ে দেবো। দুজনের বিয়ে নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নাই।
বিরামপুর থানার ওসি মমতাজুল হক বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে। ঘটনার সত্যতা মিললে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

