পর্যটকে মুখরিত কুয়াকাটা

পর্যটকে মুখরিত কুয়াকাটা

ঈদের আনন্দে পর্যটকে মুখরিত পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত। সোমবার ঈদের জামাত শেষেই ভিড় বাড়তে শুরু করেছে সাগরকন্যায়। ইতোমধ্যে আবাসিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টের ৬০-৭০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। যা এবারের ঈদে রেকর্ড সংখ্যক ভ্রমণপ্রেমী অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

সৈকতে কেউ সমুদ্রের ঢেউয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ছেন। কেউবা আবার ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হচ্ছেন। কেউবা আবার বালুকাবেলায় ঘুরে ঘুরে মোহিত হচ্ছেন। ঢাকা থেকে আসা শাকিল-শিলা দম্পতি জানান, কুয়াকাটা আগের তুলনায় অনেক পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখে আমরা অভিভূত।

খুলনা থেকে আসা রাকিব আহমেদ বলেন, বন্ধুদের নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো কুয়াকাটায় এসেছি। এবার সৈকতের পরিবেশ আরও ভালো লেগেছে।

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, এবারের ঈদে দীর্ঘ ছুটির কারণে পর্যটকের ব্যাপক চাপ। অনেকে ১৫ দিন আগেই অগ্রিম বুকিং করে রেখেছেন। প্রায় ৭০ শতাংশ কক্ষ ইতোমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে।

এদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থাগ্রহণ করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে পুরো সৈকত এলাকা। দর্শনীয় স্থানগুলোতে নিরাপত্তা চৌকি বসানো হয়েছে এবং সাদা পোশাকে ট্যুরিস্ট পুলিশ নজরদারি করছে। বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও থানা পুলিশ সমন্বিতভাবে সৈকতের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের ইনচার্জ শাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের একাধিক টিম কাজ করছে। পাশাপাশি সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং করা হচ্ছে।

বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, কুয়াকাটাকে পরিচ্ছন্ন ও পর্যটকবান্ধব রাখতে আমরা নানা উদ্যোগ নিয়েছি। সৈকতের পরিবেশ সুন্দর রাখতে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন