কলেজে শিক্ষক ৮ জন, পরীক্ষার্থী একজন—তিনিও ফেল

কলেজে শিক্ষক ৮ জন, পরীক্ষার্থী একজন—তিনিও ফেল

আটজন শিক্ষক মিলে আপ্রাণ চেষ্টা করেও পাস করাতে পারলেন না প্রতিষ্ঠানের একমাত্র এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে। পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার এমপিওবিহীন মজিদবাড়িয়া কলেজে ঘটেছে এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা। ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় রাজু আহমেদ নামের একমাত্র ওই শিক্ষার্থীও এক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার নেমে এসেছে শূন্যে।

উপজেলার মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের সুলতানাবাদ গ্রামে অবস্থিত কলেজটিতে বর্তমানে বিনা বেতনে আটজন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে দীর্ঘ ২৪ বছরেও এটি এমপিওভুক্ত হতে পারেনি। নেই কোনো নিজস্ব পাকা ভবন, বর্তমানে একটি জীর্ণ টিনশেড ঘরে চলছে পাঠদান কার্যক্রম। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, সরঞ্জাম ও সুযোগ-সুবিধার চরম অভাবে শিক্ষার্থীরা এই কলেজে ভর্তি হতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না বলে কর্তৃপক্ষের দাবি।

কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফারুক ইকবাল বলেন, প্রতিষ্ঠানের শুরুর দিকে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা সন্তোষজনকই ছিল। তবে দীর্ঘ ২৪ বছরেও কলেজটি এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং অবকাঠামোগত তীব্র সংকটের কারণে শিক্ষার্থী সংখ্যা দিন দিন কমছে। মানসম্মত শিক্ষার্থীরা এখন আর এখানে ভর্তি হতে চায় না।

এ বিষয়ে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মজিদবাড়িয়া কলেজ থেকে কেবল একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, রাজু আহমেদ নামের ওই শিক্ষার্থী এক বিষয়ে ফেল করায় কলেজটির শতভাগ শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন