পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা হাসপাতাল ৫০ শয্যায় উন্নীত করলেও জনবল রয়েছে ৩১ শয্যার। চিকিৎসক নার্সসহ ১৫২ পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৭৪ জন। শূন্য রয়েছে ৭৮ টি পদ। ডেঙ্গু রোগীসহ অতিরিক্ত রোগীদের সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বেডের তুলনায় রোগীর ভর্তির সংখ্যা বেশি হওয়ায় হাসপাতালের মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে বেড আছে ৫০ টি। প্রতিদিন রোগী ভর্তি থাকেন ১৫০ জনের বেশি। বাধ্য হয়ে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের। বহির্বিভাগে প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৪০০ রোগী সেবা নিতে আসেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০জন চিকিৎসকের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৭ জন। ১৩টি চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে। ৩৭ জন নার্সের বিপরীতে কর্মরত আছেন ২৪ জন। নার্সের শূন্য পদ রয়েছে ১৩ টি। এছাড়াও বাকী ৯৫টি পদের ৫২টি পদই শূন্য রয়েছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ বেশি। বেডের তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেশি ভর্তি রয়েছে। বহির্বিভাগে অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামাল দিতে চিকিৎসকরা হিমশিম খাচ্ছেন। চিকিৎসকদের রুমের সামনে রোগীরা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। ।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত সাব্বির হোসেনের মা শাহানা বেগম জানান,দুইদিন ধরে ছেলের জ্বর। বুধবার হাসপাতালে এসে ডেঙ্গু পরীক্ষায় পজিটিভ হয়। হাসপাতালে কোন বেড খালি না থাকায় ফ্লোরে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছি। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে অনেক রোগী এখানে ভর্তি আছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা,প্রশান্ত কুমার সাহা বলেন, পটুয়াখালী জেলার ভিতরে মির্জাগঞ্জ উপজেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেশি। গড়ে ৩০ থেকে ৩৫ জন রোগী এ হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। হাসপাতালে বেডের তুলনায় রোগীর সংখ্যা তিন গুণ বেশি ভর্তি থাকে। জনবল সংকটের কারণে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

