বাগেরহাটের চিতলমারীতে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। এতে ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র উৎপাদনশিল্পে প্রভাব পড়েছে। এছাড়া স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্নিত হচ্ছে বলে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিষয়টি দ্রুত নিরসনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উপজেলাজুড়ে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং চরম মাত্রায় বেড়ে যাওয়ায় জনজীবন অস্থির হয়ে উঠেছে। দিনের অধিকাংশ সময়ই বিদ্যুৎ থাকছে না। দিনে-রাতে অতিমাত্রায় লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক কাজ-কর্ম ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পরে লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে।
এছাড়া তীব্র গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে লোকজনকে। উপজেলার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা আরপি বেকারির স্বত্বাধিকারী আলমগীর শেখ জানান, বিদ্যুতের অতিরিক্ত লোডশেডিং ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রভাব পড়েছে।
দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা নাহিদা ইয়াসমিনসহ অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, অসহনীয় লোডশেডিংয়ের কারণে এইসএসসি পরীক্ষার্থীরাসহ অন্য শিক্ষার্থীরা রাতে ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না। এছাড়া প্রচণ্ড গরমে রাতে ঘুমানের উপায় নেই। বিষয়টি এখন গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার বলে তিনি দাবি করেন।
চিতলমারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডিজিএম (অতিরিক্ত) প্রকৌশলী মো. শাহ্আলম জানান, উপজেলায় প্রায় ৪৩ হাজার গ্রাহকের জন্য ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। সেখানে দিনে-রাতে ২৪ ঘণ্টায় ৫ থেকে ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে চাহিদার তুলায় সরবরাহ না থাকায় ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতনদের জানানো হয়েছে।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

