চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে স্থানীয় বাসিন্দাদের সংঘর্ষের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছে ছাত্রশিবির। সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় দাবি আদায়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হল মোড় থেকে শুরু হয়ে শাহ আমানত হল, জিরো পয়েন্ট, শহীদ মিনার প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জিরো পয়েন্টে এসে শেষ হয়।
বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে শাখা সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, জোবরার যেসব সন্ত্রাসী আমার ভাইদের ওপর হামলা চালিয়েছে, ছাদের ওপর থেকে ফেলে দিয়েছে, কুপিয়েছে, তাদের শনাক্ত করতে হবে।
চাকসু নির্বাচন বানচালে কেউ কেউ কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে যারা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়, তাদের একটাই চিন্তা- চাকসু নির্বাচনকে বানচাল করা। আমরা কখনো চাকসু নির্বাচন বানচাল হতে দেবো না।
তিনি বলেন, আমরা সবসময় শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করে যাবো। আমাদের কখনো অত্যাচার করে, ট্যাগিং করে, প্রোপাগান্ডা চালিয়ে দমিয়ে রাখা যাবে না। আমরা প্রশাসনকে বলবো, আপনারা যদি সুষ্ঠুভাবে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করতে না পারেন, তাহলে সম্মানের সাথে পদত্যাগ করুন।
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ইব্রাহিম হোসেন রনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের পর আমরা বেশ কয়েকবার নতুন প্রশাসনকে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য পদক্ষেপ নিতে বলেছিলাম। কিন্তু প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। যার ফলে আজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে এত বড় একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গেলো।
তিনি বলেন, আমাদের ভাইদের ডেকে নিয়ে যারা মারধর করিয়েছে, তাদের শনাক্ত করতে হবে। যে শিক্ষার্থীরা জোবরা গ্রামের কোনো পথঘাট চিনে না, অচেনা জায়গায় নিয়ে ছেড়ে দিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে, তাদের শনাক্ত করে ক্যাম্পাস থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করতে হবে।
এর আগে, গত শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে পরদিন বিকাল ৪টা পর্যন্ত দফায় দফায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

