এবি পার্টি ও এনসিপি নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

এবি পার্টি ও এনসিপি নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

কক্সবাজার শহরতলির খুরুস্কুলে এবি পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কাশেমের পারিবারিক মাছের হ্যাচারিতে কর্মচারীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ১১ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা হয়েছে। ওই মামলায় নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপির কক্সবাজারস্থ অন্যতম সংগঠক রাইয়ান কাশেমকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও এ মামলায় আরও ৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

বুধবার কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক ও মিডিয়া) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে মঙ্গলবার মধ্যরাতে নিহত আলী আকবরের স্ত্রী এলমুন্নাহার বাদি হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন।

বিজ্ঞাপন

মামলার আসামিরা হলেন- কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া এলাকার বাসিন্দা রাইয়ান কাশেম (৩০), তার বাবা জাহাঙ্গীর কাশেম (৬০), চাচা তানভীর কাশেম (৫০), মাঝেরঘাট এলাকার মোহাম্মদ আনোয়ার (৫০), টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের আলীর ডেইল এলাকার মোহাম্মদ হোছাইন ওরফে হোছেন (২৮) ও চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার দক্ষিণ পুঁইছড়ি এলাকার মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান (১৯)।

রাইয়ান কাশেম কক্সবাজারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) স্থানীয় সংগঠক। তার বাবা জাহাঙ্গীর কাশেম একসময় ছাত্র শিবিরের আলোচিত নেতা ছিলেন। বর্তমানে তিনি আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

এ মামলায় ইতোমধ্যে তিনজন আসামি রাইয়ান কাশেম, মোহাম্মদ হোছাইন ও মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মঙ্গলবার সকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে জাহাঙ্গীর কাশেমের ছোট বোন ও তানিয়া কাশেম নামে একজন নারী উদ্যোক্তা সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, আলী আকবর নামের ওই ব্যক্তি চুরি করতে হ্যাচারিতে ঢুকেছিলেন। সেসময় নাইটগার্ডের বাধা দেওয়ার ঘটনায় হয়ত অ্যাকসিডেন্টবশত তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। সেখানে আমাদের পরিবারের কোনো সদস্য ছিল না। ওই ঘটনার সাথে আমাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই।

তারা আরও বলেন, আমরাও আলী আকবর হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত চাই। আমরাও এ ঘটনার বিচার চাই। আলী আকবরের পরিবারের সদস্যদের জন্য আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। কিন্তু যেভাবে ‘মব’ সৃষ্টি করে আমার ছেলে রাইয়ান কাশেমকে হত্যার চেষ্টা করা হলো, আমরা সেই ঘটনারও বিচার চাই।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন