চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে ৮ ঘণ্টায়ও স্বাভাবিক হয়নি যান চলাচল। এরআগে, মঙ্গলবার সকাল ১০টা দিকে পাহাড় ধসে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নের বালুচরা এলাকায় যানবাহন ও মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সড়কে স্বাভাবিক হয়নি যান চলাচল।
কাপ্তাই থানার ওসি শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেন, সড়কের ওপর মাটি সরানোর জন্য কেপিএম পেপার মিলে ভ্যাকু আনা হচ্ছে। ভ্যাকু এনে সড়কের মাটি সরানো হবে।
কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহাবুব হাসান জানান, সোমবার রাত থেকে টানা বৃষ্টির ফলে সড়কে গাছ এবং পাহাড় ধসে পড়ে। ফলে উভয়ই দিক হতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় গাছ অপসারণ ও সড়ক পরিষ্কারের কার্যক্রম শুরু করে।
এ সময় কাপ্তাই থানার ওসি শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল, কাপ্তাই সহকারী তথ্য অফিসার দেলোয়ার হোসেন, কাপ্তাই প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন।
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসকের নির্দেশক্রমে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ১৮ টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। যারা আশ্রয়কেন্দ্রে আসবেন তাদেরকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাওয়াসহ সকল ধরনের নিরাপদে রাখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তিনি জানান, কর্ণফুলী সরকারি ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পাহাড় ধসে দুই শিশু আহত হয়েছে। দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

