চট্টগ্রামের ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ বিক্রির অভিযোগ তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুরে ওই বিদ্যালয়ে যান দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর সহকারী পরিচালক সায়েদ আলমের নেতৃত্বে আভিযানিক দল।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম।
জানা গেছে, দেড়শো বছরের পুরোনো ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৫ কাঠা জমির খেলার মাঠটি ২০০৬ সালে একটি পক্ষ মাত্র ৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় ক্রয় করে। মাঠটি বিদ্যালয়ের সীমানার ভেতরেই আছে। শিক্ষার্থীরা সারাবছর খেলাধুলা করার পাশাপাশি এখানে অনুষ্ঠিত হয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাসহ বিদ্যালয়ের নানাধরণের অনুষ্ঠান। তবে মাঠটি নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন। কিন্তু সম্প্রতি কতিপয় ব্যক্তি মাঠটি তাদের নামে নামজারির জন্য ভূমি অফিসে আবেদন করলে বিষয়টি আবারও প্রকাশ্যে আসে। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, দফায় দফায় ওই বিদ্যালয়ের একমাত্র মাঠটি নামজারির জন্য কতিপয় ব্যক্তি আবেদন করছে ভূমি অফিসে। তবে চারবার ভূমি অফিস আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। তারই প্রেক্ষিতে রোববার দুপুরে বিদ্যালয়টিতে যায় দুদক।
দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম জানান, ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের জায়গা ক্রয়-বিক্রয়ে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাগজপত্র যাচাই-বাচাই করা হয়েছে। সাব-রেজিস্ট্রার অফিসেও যাবে আভিযানিক দল।
বাকলিয়া সার্কেল ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুমা আক্তার কণা জানান, ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের জমি নিয়ে মামলা চলছে। মামলা চলাকালীন নামজারি হবে না। একটি পক্ষ চারবার আবেদন করলেও আমরা সেগুলো খারিজ করে দিয়েছি। এবারের আবেদনটিও খারিজ হবে। ঐতিহাসিক এই বিদ্যালয়টি ২০২৪ সালে জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়’ হিসেবে নির্বাচিত হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

