চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ফোর্স গঠনের প্রস্তাব বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে বিমানবন্দরের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সোমবার দুপুরে বিমানবন্দরের সামনে এই কর্মসূচি পালন করেন তারা।
তাদের দাবি যে কোটাপ্রথা বাতিল করলে হাজার হাজার ছাত্র জনতা জীবন দিয়েছে বিমানবন্দরের নিরাপত্তার নামে সেই কোটাপ্রথা ফের ফিরিয়ে আনার অপচেষ্টা চলছে। সিভিল এভিয়েশনকে অকার্যকর
করতে এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ফোর্স নামে নতুন বাহিনী তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আর এখানে বিমান বাহিনী থেকে ৭০ শতাংশ কোটা রাখা হচ্ছে যা বর্তমান বাংলাদেশের সঙ্গে যায় না।
আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারিদের অভিযোগ, এতদিন ধরে এপিবিএন, পুলিশ ও আনসারসহ বিভিন্ন বাহিনী থেকে লোকবলের সহায়তা নিয়ে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও সেবা প্রদান করে আসছে সরকার। এই সুযোগে বিমানবাহিনীর কতিপয় কর্মকর্তা উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভিন্ন পদে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের প্রেষণে যুক্ত করে বেবিচকের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা করছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এখন এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ফোর্স নামের নতুন বাহিনী তৈরি করার অপচেষ্টা শুরু হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে পুরো বিমান বন্দর বেবিচকের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। অবিলম্বে এই প্রক্রিয়া থেকে সরে আসার দাবি জানান বিমানবন্দরের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অন্যথায় আরো কঠোর আন্দোলনের হুমকিও দেন তারা। তবে কর্মসূচি চলাকাল আন্তর্জাতিক এই বিমান বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল।
এমএস
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

