বাংলাদেশের রাজনীতিতে কুমিল্লার নেতাদের ভূমিকা বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ। কুমিল্লা ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হলেও আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দলটিকে এবার একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে। কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনে কারা বিজয়ী হতে পারেন, তা নিয়ে আলোচনা চলছে জেলাজুড়ে। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেছে আমার দেশ। আলোচনায় উঠে এসেছে সম্ভাব্য ফলাফল ও রাজনৈতিক সমীকরণের বিভিন্ন দিক।
জানা গেছে, ১৯৯১ সালের নির্বাচনে কুমিল্লার ১২ আসনের মধ্যে আটটিতে জয় পায় বিএনপি। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করে। এতে ১২ আসনের মধ্যে ১১টিতে বিএনপি এবং একটিতে জামায়াত জয়লাভ করে। তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোট পায় মাত্র দুটি আসন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লার ১১ আসনের সবকটিতেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। তবে প্রার্থী ঘোষণার পর মনোনয়নবঞ্চিত নেতা এবং তাদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে পাঁচটি আসনে অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন মনোনয়নবঞ্চিতরা। আসনগুলো হলো—কুমিল্লা-২, কুমিল্লা-৬, কুমিল্লা-৭, কুমিল্লা-৯ এবং কুমিল্লা-১০।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়, যার প্রভাব পড়েছে সাম্প্রতিক ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলোয়ও। একাধিক আসনে বিএনপির বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকায় জামায়াত জোট তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে আছে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। এতে কুমিল্লার ছয়টির মতো আসন বিএনপির হাতছাড়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা)
কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিএনপির সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার রয়েছে। স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আসনটি এবারও বিএনপির দখলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
তবে এ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতের দাউদকান্দি উপজেলা আমির মনিরুজ্জামান বাহলুল নির্বাচনি মাঠে চমক দেখাতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা বশির আহমেদ এলাকায় সক্রিয়ভাবে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।
কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস)
কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার। আসনটি বিএনপির সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত এমকে আনোয়ারের নির্বাচনি এলাকা হিসেবে পরিচিত।
তবে এ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাবেক এপিএস আব্দুল মতিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় নির্বাচনি সমীকরণ জটিল আকার ধারণ করেছে। বহিষ্কারের আশঙ্কায় প্রকাশ্যে দলীয় নেতাকর্মীরা তার পক্ষে কাজ না করলেও গোপনে সমর্থন দিচ্ছেন—এমন আলোচনা রয়েছে, যা ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিএনপির এ বিভাজনের সুযোগ নিতে পারে জামায়াতে ইসলামী। দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য নাজিম উদ্দিন মোল্লার অবস্থান দিন দিন শক্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলমও এলাকায় সক্রিয়ভাবে প্রচার চালাচ্ছেন। এছাড়া গণঅধিকার পরিষদ ও এবি পার্টির প্রার্থীও নির্বাচনি মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। ফলে কুমিল্লা-২ আসনে একাধিক দলের অংশগ্রহণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বহুমাত্রিক রূপ নিচ্ছে।
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর)
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনটি দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ পাঁচবার এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এবারও বিএনপি তাকেই প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এ আসনে বিএনপির ভেতরে উল্লেখযোগ্য কোনো বিভাজন বা শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় আসনটি আবারও বিএনপির দখলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
এদিকে জামায়াত এই আসনে ইউসুফ হাকিম সোহেলকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তিনি এর আগে মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও হেফাজতে ইসলামের প্রার্থীও নির্বাচনি মাঠে প্রচার চালাচ্ছেন।
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার)
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। তবে এ আসনে এবার নতুন মাত্রা যোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহকে প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই আসনটি ঘিরে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনা জোরদার হয়েছে। ইতোমধ্যে তার প্রচারে জনসমাগম ও সাংগঠনিক তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে, যা ভোটের হিসাবকে প্রভাবিত করতে পারে ।
বিএনপির অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং নিরসনে ব্যর্থ হলে দলের একটি অংশ এনসিপি প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে পারে—এমন আলোচনাও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে রয়েছে।
এদিকে জামায়াতে ইসলামী এ আসনে তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করে জোটের প্রার্থী হিসেবে হাসনাত আবদুল্লাহকে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছে। ফলে জামায়াতের সাংগঠনিক সমর্থন এবং বিএনপির একাংশের ভোট এনসিপির প্রার্থীর পক্ষে গেলে এ আসনে ফলাফল ভিন্নমাত্রা নিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া)
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের একটি অংশ ও ভারত সীমান্তঘেঁষা বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-৫ আসনটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। স্বাধীনতার পর ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে একবার এ আসনে জয় পায় বিএনপি। অতীতে ঘন ঘন প্রার্থী পরিবর্তনের কারণে দলটি এ আসনে ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রাখতে পারেনি। আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিনকে।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী এ আসনে মনোনয়ন দিয়েছে ড. মোবারক হোসেনকে। স্থানীয়ভাবে বিএনপির ভেতরে বড় ধরনের বিভাজন না থাকায় কুমিল্লা-৫ আসনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, কুসিক ও সেনানিবাস)
কুমিল্লা-৬ আসনটি কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা, সদর দক্ষিণ উপজেলা, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) ও কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা নিয়ে গঠিত। এ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরীকে। তবে এ মনোনয়ন ঘিরে দলের ভেতরে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা আমিনুর রশিদ ইয়াছিনও এ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামী এ আসনে মনোনয়ন দিয়েছে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দিন মোহাম্মদকে। মনোনয়নবঞ্চিত আমিনুর রশিদ ইয়াছিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় এ আসনে বিএনপি, স্বতন্ত্র ও জামায়াতের মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই হবে।
কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা)
কুমিল্লা-৭ আসনটি চান্দিনা উপজেলা নিয়ে গঠিত। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন এলডিপির সাবেক মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, যিনি সম্প্রতি এলডিপি থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তবে একই আসনে বিএনপি নেতা আতিকুল ইসলাম শাওন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এতে বিএনপির ভেতরে বিভাজন স্পষ্ট হয়েছে।
এদিকে, এই আসনে জামায়াতে ইসলামী মাওলানা মোশাররফ হোসেনকে মনোনয়ন দিলেও চান্দিনায় দলটির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। সাধারণ ভোটারদের মতে, এ আসনে বিএনপি, জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া)
বরুড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-৮ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন। মনোনয়ন নিয়ে দলীয় কোনো জটিলতা না থাকায় তিনি এ আসনে তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী এ আসনে প্রার্থী হিসেবে অধ্যাপক শফিকুল আলম হেলালকে মাঠে নামিয়েছে। তিনি কুমিল্লা ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ। তিনি এলাকায় সক্রিয়ভাবে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ)
লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-৯ আসনে এবারের নির্বাচনি সমীকরণ বেশ জটিল। বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমের মৃত্যুতে এ আসনে নতুন প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে দলের কেন্দ্রীয় শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালামকে। এ মনোনয়নকে ঘিরে বিএনপির ভেতরে তীব্র মতবিরোধ দেখা দেয়। পরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে আবুল কালাম এবং সাবেক এমপি আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম দোলার মধ্যে সমঝোতা হয়। এরপরও সামিরা আজিম দোলা স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করবেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক শ্রমবিষয়ক সম্পাদক রশিদ আহমেদ হোসাইনিও বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে, দোলার একটি অংশ জামায়াতের প্রার্থীকে সমর্থন দিতে পারে।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী এ আসনে প্রার্থী করেছে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ড. সৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকীকে। অতীতে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এ প্রার্থী এলাকায় সক্রিয় প্রচার চালাচ্ছেন। বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে এ আসনে জামায়াতের জয়ের সম্ভাবনা আছে বলে মনে করছেন ভোটাররা।
কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই)
নাঙ্গলকোট ও লালমাই উপজেলা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর ভূঁইয়াকে। তবে মনোনয়নবঞ্চিত কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া গত এক মাস ধরে মনোনয়নের জন্য মাঠে আন্দোলন চালিয়েছেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
এতে বিএনপির ভেতরের কোন্দল চরমে পৌঁছেছে। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা ইয়াসিন আরাফাত। ইতোমধ্যে তিনি ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করেছেন।
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম)
কুমিল্লা-১১ আসনটি ঐতিহ্যগতভাবে জামায়াতের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে মনোনয়ন দিয়েছে। বিএনপি এ আসনে মনোনয়ন দিয়েছে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদাকে।
সাধারণ ভোটার ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে বিএনপি নেতারা আশাবাদী, তরুণ প্রার্থী কামরুল হুদা এবার চমক দেখাতে সক্ষম হবেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

