কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর গোশত কাটতে গিয়ে আহত হয়েছেন ৫০ জন। আহতরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও কুমিল্লা সদর হাসপাতাল চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতরা বেশির ভাগই যুবক। শখের বশে গোশত কাটতে গিয়ে অসাবধানতা বশত ধারালো ছুরির আঘাতে আহত হন তারা।
শনিবার পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুমিল্লায় লক্ষাধিক গরু কোরবানি দেয়া হয়েছে।
আহতরা বলেন, গোশত কাটাকাটিতে অনভিজ্ঞ হওয়ায় তাদের হাত-পা ছুরির আঘাতে জখন হয়েছে। যারা গুরুতর আহত হয়েছেন তাদের জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পর যেতে হচ্ছে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলা সাদকপুর গ্রামের শামীম হোসেন বলেন, গরু জবাই করার সময় ছুরি আমার হাতে লাগে। বুড়িচং হাসপাতালে যাওয়ার পর ডাক্তার ৮টি সেলাই দিয়েছেন। আর একটু হলে হাতের রগই কেটে যেত।
কুমিল্লা সদর উপজেলার ধনপুরের ইমরান আহমেদ বলেন, ঈদের খুশিতে বাড়ির সবাই মিলে কোরবানি দেই। তারপর গোশত কাটার সময় ছুরি পিছলে আমার আঙুলে লাগে। প্রথমেও টের পাইনি। পরে দেখি রক্ত ঝরছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তিনটি সেলাই দিতে হয়েছে।
সদর উপজেলার ভুবনঘর এলাকার চল্লিশোর্ধ্ব কাশেম তালুকদার গরুর হাড় কাটতে গিয়ে আঘাত পেয়েছেন হাতের কব্জিতে। তিনি বলেন, আল্লাহ বাঁচিয়েছেন। আরেকটু জোরে লাগলে আমার হাতের কব্জি হয়তো আলাদা হয়ে যেত।
ঝাউতলা থেকে আসা পেশাদার কসাই জাহঙ্গীর আলম বলেন, হাড্ডি কোপাতে গিয়ে আমার পায়ে চাপাতি লেগেছে। সদর হাসপাতালে রাখেনি। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে হবে।
কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার মো. জোবায়ের জানান, দুপুর দেড়টা পর্যন্ত আমরা অন্তত বিশজনকে চিকিৎসা দিয়েছি। গুরুতর আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের আমরা চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

