নোয়াখালীর হাতিয়ায় ভাসানচর থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবির ঘটনায় এখনো সাইফুল ইসলাম নামে এক পুলিশ সদস্য ও রোহিঙ্গা শিশুসহ ২ জন নিখোঁজ রয়েছে। কোস্টগার্ড এবং নৌ-পুলিশ জেলেদের সহযোগিতায় দুজনের লাশ উদ্ধার করেছে।
নিহতরা হলেন, গিয়াস উদ্দিন (৫৩)। তিনি ভাসান চরে ডাক বিভাগে সাব পোস্টমাস্টার ছিলেন। রোববার সকালে এক রোহিঙ্গা নারী হাসিনা খাতুন (২৫) লাশ রামগতির বিবিরহাট সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এরআগে শনিবার দুপুরে ভাসানচরের উত্তর পাশে মেঘনা নদীতে এই ঘটনা ঘটে। জাহাঙ্গীর মাঝির ট্রলারটি ৩৯ জন যাত্রী নিয়ে সকালে ভাসানচর থেকে ছেড়ে আসে। এতে ২২ জন সাধারণ যাত্রী, ৬ জন রোহিঙ্গা, ৩ জন পুলিশ, ৪ জন আনসার ও ৪ জন ট্রলারের মাঝি-মাল্লা ছিল। এটি হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের করিম বাজার ঘাটে আসতেছিল।
উদ্ধার হওয়ায় ব্যক্তি জিয়াউল হক জানান, তারা ঈদের ছুটিতে ভাসানচর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে নদীতে ট্রলারের তলা ফেটে পানি ঢুকে পড়লে এ দুর্ঘটনায় পড়ে। জীবিত উদ্ধার হওয়া ৪ জনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তারা হলেন, ফারহানা বিনতে মমিন, ইসমত আরা, মো. তারেক, ফাতেমা খাতুন। তাদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান হাতিয়া নলচিরা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আশিষ চন্দ্র সাহা।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজমল হুদা বলেন, ৩৯ জন যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। এর মধ্যে ৩৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। রোববার সকালে লক্ষীপুরের রামগতি থেকে এক রোহিঙ্গা নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এক পুলিশ সদস্যসহ এখনো ২ জন নিখোঁজ রয়েছে। কোস্টগার্ড বর্তমানে নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

