চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে উপকূলীয় বনভূমি উজাড় করে অবৈধভাবে গড়ে তোলা কোহিনুর শিপ ইয়ার্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে।
বুধবার সকাল থেকে উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের তুলাতুলি এলাকায় সাগর উপকূলে অবৈধভাবে গড়ে তোলা বুধবার ২৫ জুন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের তুলাতুলি এলাকায় সাগর উপকূলে অবৈধভাবে গড়ে তোলা কোহিনুর শিল্প ইয়ার্ডের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক অবৈধ উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করেন। বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই উচ্ছেদ চলাকালে শিপ ইয়ার্ডের একটি দু’তলা অফিসসহ বৈদ্যুতিক সাব স্টেশনের ভবন বুলডোজার দিয়ে গুটিয়ে দেয়া হয়।
জানা যায়, এই সময় শিপইয়ার্ডের বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অবৈধ উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম এই অভিযান পরিচালনা করেন়। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল আমিন হোসেন ও মো. মঈনুল হাসান, পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনী এবং পরিবেশ অধিদপ্তর ও বনবিভাগের লোকজন উচ্ছেদ অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন। সীতাকুণ্ড উপজেলায় সর্বমোট সাতটি মৌজায় শিপ ইয়ার্ড শিল্প জোন রয়েছে। ভাটিয়ারী ইউনিয়নের তুলাতুলি মৌজা শিপ ইয়ার্ড জোনের আওতায় পড়েনি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে ক্ষমতার অপব্যবহার করে উপকূলীয় বনভূমি উজাড় করে রাজা কাশেম অবৈধভাবে এই এলাকায় গড়ে তোলেন কোহিনুর শিপইয়ার্ড নামে একটি বিশাল শিপইয়ার্ড। অবশেষে দীর্ঘদিন পর অবৈধভাবে গড়ে তোলা শিপইয়ার্ডটি উচ্ছেদ করছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক।
সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম আমার দেশকে বলেন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কর্তৃক অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কোহিনুর শিপইয়ার্ড নামে একটি শিপইয়ার্ডে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এই অভিযান চলাকালে দু’জন ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনী সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

