নোয়াখালীর হাতিয়ায় লঞ্চঘাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার তমরদ্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের কয়েকজন হলেন- লায়লা বেগম, কামরুল ইসলাম, আকলিমা বেগম, নাফিসা বেগম।
জানা গেছে, তমরুদ্দি লঞ্চঘাটের ইজারাদার ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মাওলা কাজল। ৫ আগস্টের পর ঘাট দখলে নেন উপজেলা বিএনপি নেতা আলমগীর। কিন্তু বিষয়টি মানতে পারেননি তমরুদ্দি ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি তানভীর হায়দার। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঘাটটি দখলে নেয়ার চেষ্টা করে আসছেন ।
এদিকে, আজ সকালে ঘাটের দখল নিতে দলবল নিয়ে ঘাটে যান তানভীরের অনুসারীরা। এ সময় তাদের ধাওয়া করেন আলমগীরের লোকজন। একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তারা। ঘাটের পাশে থাকা শ্রমিকদের পরিবারের নারী-পুরুষও এতে যোগ দেন।
বিএনপি নেতা আলমগীর বলেন, ঘাটের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবে ঘাট থেকে প্রতিদিন ৪০ শতাংশ টাকা নেন ইজারাদার গোলাম মাওলা। আমি শুধু শ্রমিকদের দেখভাল করি।
তানভীর বলেন, নানা অপকর্মের দায়ে বিএনপি থেকে আলমগীরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ঘাট দখলের বিষয়ে জানতে চাইলে কৌশলে এড়িয়ে যান তিনি।
হাতিয়া থানার ওসি (তদন্ত) খোরশেদ আলম বলেন, তমরদ্দি লঞ্চঘাট নিয়ে তানভীর ও আলমগীর গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হন। পরে পুলিশ, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

