এমওইউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র

চট্টগ্রামে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে মনোরেল

চট্টগ্রামে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে মনোরেল

চট্টগ্রাম নগরীর গণপরিবহন খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে চলেছে মনোরেল প্রকল্প। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামকে দক্ষিণ এশিয়ার গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এই মনোরেল শুধু যানজট নিরসন নয়, বরং চট্টগ্রামকে একটি পরিবেশবান্ধব, পর্যটন ও ব্যবসাবান্ধব নগরীতে রূপান্তরিত করার দিকেও এগিয়ে নেবে বলে জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

রোববার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মনোরেল প্রকল্প-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসব কথা জানিয়ে তিনি আরো বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার গেটওয়ে হিসেবে চট্টগ্রামকে গড়ে তুলতে হলে গ্রিন-ক্লিনের পাশাপাশি স্মার্ট সিটিতে রূপান্তরিত করতে হবে। এজন্য প্রথমে নগরীতে মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের চিন্তা করা হয়েছিল। কিন্তু বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় সেটা আপাতত হচ্ছে না। তাই বিকল্প হিসেবে মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে মনোযোগী হয়েছে সিটি করপোরেশন। এটি বাস্তবায়িত হলে নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মেয়র জানান, প্রস্তাবিত মনোরেল প্রকল্পটির দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৫৪ কিলোমিটার এবং এতে বিনিয়োগ হবে প্রায় ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা। পুরো অর্থায়ন আনবে বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ওরাসকম কনস্ট্রাকশন ও আরব কনস্ট্রাক্টরস। এত বড় বিনিয়োগের জন্য চসিকের কোনো আর্থিক দায় থাকবে না। কেবল প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্ট ও ভূমি বরাদ্দ দেবে সিটি করপোরেশন।

প্রাথমিকভাবে কালুরঘাট থেকে বিমানবন্দর, সিটি গেট থেকে শহীদ বাশিরুজ্জামান স্কয়ার ও অক্সিজেন থেকে ফিরিঙ্গি বাজার- এই তিনটি সম্ভাব্য রুটকে পরিকল্পনায় নিয়ে কাজ শুরু করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে গ্রেটার চিটাগাং ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, আরব কনস্ট্রাক্টরস ও ওরাসকম পেনিনসুলা কনসোর্টিয়ামের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ কাউসার আলম চৌধুরী, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, গ্রেটার চিটাগাং ইকোনমিক ফোরামের সদস্য সচিব নাজির শাহীন উপস্থিত ছিলেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন