ফেসবুকে এনসিপি নেতা রাফি

চট্টগ্রামে শিবিরের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে ছাত্রদল

চট্টগ্রামে শিবিরের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে ছাত্রদল

চট্টগ্রাম কমার্স কলেজে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ওপর ছাত্রদলের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা খান তালাত মাহমুদ রাফি। গতকাল শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের সহযোগিতার জন্য শিবির ‘হেল্পডেস্ক’বসায়। সেখানে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসী হামলা চালায়। শিবিরের ওপর ছাত্রদলের এ হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ক্যাম্পাসগুলোতে রাজনৈতিক সহাবস্থান এবং সুস্থ রাজনৈতিক পরিসর নিশ্চিত করতে সব ছাত্র সংগঠনকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। অতীত থেকে শিক্ষা নিন, সবাই আগের রাজনৈতিক সংস্কৃতি চর্চা করা থেকে বিরত থাকুন।

বিজ্ঞাপন

আরেক পোস্টে তিনি বলেন, ‘আজ (শনিবার) চট্টগ্রাম কমার্স কলেজের সামনে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শিবিরের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। শুক্রবার ফরিদপুরের নগরকান্দায় ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বৈশাখী নামে এক ছাত্রীকে রাস্তায় ফেলে মারধর করেছে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। আদাবর থানায় এক নারীকে প্রকাশ্যে জিন্দেগি বরবাদ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বিএনপির এক নেতা। শেকৃবিতে ছাত্রদলের প্রোগ্রাম না করায় দুই ছাত্রীকে জোরপূর্বক হল ছাড়ার নির্দেশ ও হুমকি দিয়েছেন ছাত্রদল নেত্রী।

তিনি আরো বলেন, এই কয়েকটা ঘটনা রিসেন্ট (সাম্প্রতিক) দু-একদিনের। তাছাড়া সবাই কুয়েট, তিতুমীর কলেজ, সোহরাওয়ার্দী কলেজ, গ্রাফিক্স আর্ট কলেজ, কক্সবাজার পলিটেকনিক, ঢাকা পলিটেকনিক, শ্রীপুর কলেজ, তামিরুল মিল্লাতসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রদল কর্তৃক বিভিন্ন সহিংস কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত আছেন।

রাফি বলেন, ‘কেউ যদি আবারও নির্যাতন-নিপীড়ন করতে চায়, তাহলে কোনো ব্যক্তি বা শিক্ষার্থী মুখ বন্ধ করে থাকবে না, কেউ না কেউ প্রতিবাদ করবেই। কেউ মজলুম থেকে জালিম হইতে যাইয়েন না। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেন, জালিমের ধ্বংস অনিবার্য। যারা পুরোনো অপরাজনীতি চর্চা করার চেষ্টা করবে, তাদের পরিণতি পূর্বের রাজনৈতিক দলের মতোই হবে। কেউ যদি ক্যাম্পাসগুলোতে একক আধিপত্য বিস্তার করার চেষ্টাও করে আমরা বাধা হয়ে দাঁড়াব, সব শিক্ষার্থী বাধা হয়ে দাঁড়াবে। আমরা সহাবস্থানের রাজনীতি চাই। এ ব্যাপারে ছাত্রদল, ছাত্রশিবিরসহ সব ছাত্র সংগঠনের সচেতন হতে হবে এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। ৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে ছাত্ররাজনীতি হতে হবে গঠনমূলক এবং শিক্ষার্থীবান্ধব।’

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন