ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে হঠাৎ করেই ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, ফলে ঈদের আগমুহূর্তে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরমুখো যাত্রীরা। বুধবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ থেকে যাত্রী নিয়ে সর্বশেষ ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে আর কোনো ট্রেন এই রুটে চলাচল করেনি।
হঠাৎ ট্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিকল্প পরিবহনে যাত্রীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। এ সুযোগে গণপরিবহনগুলো ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায় করছে। বিশেষ করে সিএনজি চালিত অটোরিকশাগুলো দ্বিগুণ ভাড়া নিচ্ছে। চাষাড়া থেকে কমলাপুর পর্যন্ত যেখানে সর্বোচ্চ ভাড়া ৫০০ টাকা, সেখানে যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে তারও বেশি।
বিনা নোটিশে ট্রেন বন্ধ থাকায় বিভ্রান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। বৃহস্পতিবার সকালে চাষাড়া রেলস্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, অনেক যাত্রী ট্রেনের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন। তারা জানতেনই না যে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর প্ল্যাটফর্মে থাকা এক নিরাপত্তাকর্মীর কাছ থেকে তারা বিষয়টি জানতে পারেন।
দিনাজপুরগামী যাত্রী রাশেদ বলেন, পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার জন্য আগেই ট্রেনের টিকিট কেটেছিলেন তিনি। কমলাপুর থেকে ট্রেনে ওঠার কথা থাকলেও চাষাড়া স্টেশনে এসে জানতে পারেন ট্রেন বন্ধ। বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে সিএনজি অটোরিকশায় কমলাপুর যেতে হচ্ছে।
আরেক যাত্রী রাশেদা বেগম জানান, কাজ শেষে চাষাড়া থেকে ফতুল্লা ফিরতে গিয়ে পড়েছেন বিপাকে। ট্রেন বন্ধ থাকায় তাকে অতিরিক্ত ভাড়া গুনে অন্য পরিবহনে ফিরতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার কামরুল ইসলাম জানান, বুধবার বিকেলে যাত্রী নিয়ে ট্রেনটি নারায়ণগঞ্জ স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার পর ঢাকা অফিস থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধের নির্দেশ আসে। তবে কী কারণে ঈদের আগমুহূর্তে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

