গাজীপুরের টঙ্গীতে ঝুট নামানোকে কেন্দ্র করে বিএনপির দু’গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গাজীপুরা স্যাটার্ন টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।
এতে ওই এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হলে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সংঘর্ষ চলাকালে সাংবাদিকসহ কমপক্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, শুক্রবার সকালে ৫০নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কাজীর লোকজন স্যাটার্ন টেক্সটাইল কারখানায় ঝুট নামাতে যায়।
খবর পেয়ে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হালিম মোল্লা সমর্থিত আল-মামুন, কাজী মনজু, কাজী মামুন, তুহিন, দিপু সরকার, আদনান, বশির উদ্দিনসহ প্রায় দেড়শ হতে দুইশ সন্ত্রাসী রামদা, চাপাতি, লোহার পাইপসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে কারখানার গেটে হামলা চালায়।
এ সময় তারা পাঁচ-ছয়টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরে হুমায়ুন কাজীর লোকজন এগিয়ে এলে উভয় পক্ষের মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষকালে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কালু (৪৭), জামাল হোসেন (৩৫), মজনু (৩৬) ও সাংবাদিক মারুফ দেওয়ানসহ (৩০) কমপক্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন।
এ ব্যাপারে হুমায়ুন কাজী জানান, স্যাটার্ন গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নূর এন্টারপ্রাইজ চুক্তিবদ্ধ হয়ে গত ১০ আগস্ট থেকে নিয়মিত ওয়েস্টেজ মালামাল নিচ্ছি। কিন্তু মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হালিম মোল্লার ক্যাডার বাহিনীর সদস্যরা শুক্রবার সকালে কারখানার গেটে এসে হামলা, গালমন্দ করে এবং বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।
এ ব্যাপারে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হালিম মোল্লার মুঠোফোনে বারবার কল দিয়ে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি ইসকান্দার হাবিবুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

