জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে আগামী ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী সফরকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও সম্প্রতি জামায়াতে যোগ দেওয়া নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন।
মঙ্গলবার দুুপুরে গচিহাটা বাজার জামে মসজিদে যোহরের নামাজ শেষে মসজিদের মিম্বরে বসে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, আপনাদের দাওয়াত দিলেও যাবেন, দাওয়াত না দিলেও যাবেন। প্রোগ্রামে যাবেন—প্রধানমন্ত্রী আসছেন।
আখতারুজ্জামান রঞ্জন বলেন, কটিয়াদী থেকে বাংলাদেশের মৎস্য খাতের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯১ সালে। ওই সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গচিহাটা কলেজ মাঠে জনসভা করেছিলেন। তখন গচিহাটা বাজারে পাঁচটি দোকানও ছিল না। তার আগমনের পর গচিহাটা ধীরে ধীরে উপশহরে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে কলতা বাজারে পাওয়া যায়—এমন অনেক পণ্যই গচিহাটা বাজারে পাওয়া যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর কটিয়াদী সফরকে স্বাগত জানিয়ে রঞ্জন বলেন, প্রধানমন্ত্রী কটিয়াদীতে আসছেন, আমি তাকে স্বাগত জানাই। জামায়াতের নেতাকর্মীদের বলব, যেহেতু প্রধানমন্ত্রী কটিয়াদীতে আসছেন, দাওয়াত দিলেও যাবেন, না দিলেও প্রোগ্রামে যাবেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রোগ্রাম, এটি সরকারি অনুষ্ঠান।
সরকারি এই কর্মসূচির ব্যয় জনগণের কাছ থেকে চাঁদা তুলে বহন না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই প্রোগ্রামের খরচ সরকার বহন করবে। সাধারণ মানুষের চাঁদা দেওয়ার দরকার নেই।
এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন ব্যয় নিয়ে ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন রঞ্জন। তার দাবি, নতুন দায়িত্বে আসা জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে প্রয়োজনীয় তহবিল না থাকায় বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্সসহ নানা খাত থেকে অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভয়-ভীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
তিনি কিশোরগঞ্জের প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ডিসি ও এসপির যে খরচ আসে, সেটা যেন নিজে বহন করেন, জনগণের ওপর যেন চাপিয়ে দেওয়া না হয়। আর যদি না পারেন, জামায়াতের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সহযোগিতা করা হবে। এ সময় জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মী ও মসজিদের মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

