ঢাকা জেলার ধামরাই থানায় পরিবহন সংকটে কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ। এতে আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারছেন না পুলিশ।
জানা গেছে, ধামরাইয়ে ৩০৪ বর্গকিলোমিটার বিস্তৃত এ থানা এলাকায় রয়েছে ১৬ ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভা।
এখানে গ্রামের সংখ্যা রয়েছে ৪০৮। প্রায় ৬ লাখ লোকের বেশি বসবাস এ ধামরাই থানা এলাকায়। শিল্প প্রতিষ্ঠানও রয়েছে প্রায় দেড় শতাধিক। এ থানা এলাকার মাঝখান দিয়ে রয়েছে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক প্রায় ২০ কিলোমিটার।
এ বিশাল আয়তনের থানার অধীনে রয়েছে কাওয়ালীপাড়া বাজার নামে একটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র । মানুষের নিরাপত্তামূলক সেবা দেওয়ার জন্য থানায় ছিল সাত পিকআপ ও এক প্রিজন ভ্যান। ২০২৪ এর ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে পাঁচ পিকআপ ও একটি প্রিজন ভ্যান পুড়ে যাওয়ায় বর্তমানে তীব্র যানবাহন সংকটে রয়েছে ধামরাই থানা। জানা গেছে, ধামরাই থানায় যানবাহনের সংকটের কারণে পুলিশ জনগণের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিতে ও ঠিকমতো অভিযান কার্যক্রম চালাতে পারছে না। অপরাধীদের গ্রেপ্তার নিয়ে বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পুলিশের।
প্রয়োজনীয় সংখ্যক গাড়ির অভাবে একদিকে ভিআইপিদের প্রটোকল অন্যদিকে রাস্তায় নিয়মিত টহল অপরদিকে জরুরি অভিযান পরিচালনা করাও সম্ভব হচ্ছে না। এতে করে সমগ্র থানা এলাকায় মাদক কেনাবেচা, চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাচ্ছে ।
ধামরাই থানার ওসি নাজমুল হুদা খান বলেন, ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও যানবাহন স্বল্পতার কারণে থানা এলাকায় নিয়মিত মানুষের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে । থানা এলাকায় রাতে ও দিনে আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য স্থানীয়ভাবে লেগুনা, সিএনজি ম্যানেজ করে প্রতিরাতে ৯ পুলিশি টিম টহলে রাখতে হয়। তাই এ থানায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক যানবাহনের ব্যবস্থা করতে পারলে মানুষের নিরাপত্তা বিষয়ে আরো সেবা দেওয়া যেত।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

