ভারী বর্ষণে শেরপুরের নদ-নদীতে পাহাড়ি ঢলে বন্যার শঙ্কা

উপজেলা প্রতিনিধি, নালিতাবাড়ী (শেরপুর)

ভারী বর্ষণে শেরপুরের নদ-নদীতে পাহাড়ি ঢলে বন্যার 
শঙ্কা

কয়েক ঘণ্টার মুষলধারে ভারী বর্ষণে সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরের সবক’টি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বন্যার শঙ্কায় পড়েছে নদী বেশ কিছু গ্রাম। একটি নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।

বিজ্ঞাপন

তবে অন্যান্য নদীর পানি এখনো স্বাভাবিক রয়েছে। আজ সকাল দশটা নাগাদ শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ, ভোগাই নদীর নাকুগাঁও এবং নালিতাবাড়ী পয়েন্টে পানি এখনো বিপদসীমার নিচে রয়েছে। রাতে একবার চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও শেষরাতে তা স্বাভাবিক হয়।

তবে ভারতের মেঘালয়ে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকায় সকাল দশটার পর আবারও চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে ১০৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যেকোনো মুহূর্তে চেল্লাখালী নদীর বিভিন্ন স্থানে বাঁধ ভেঙে আশপাশের গ্রাম আকস্মিক বন্যায় কবলিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

বিশেষ করে, চেল্লাখালী ও ভোগাই নদীর তীর ভেঙে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদী দুটোর বাঁধ বেশ ঝুঁকিতে রয়েছে। পাহাড়ি ঢলের তোড়ে যেকোনো সময় বাঁধ বিধ্বস্ত পানি লোকালয়ে প্রবেশ করার শঙ্কায় রয়েছেন নদী তীরের বাসিন্দারা। এতে ঝুঁকিতে রয়েছেন মহারশি নদীর তীরের বাসিন্দারাও।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গেল অক্টোবরের ভয়াবহ বন্যায় বিধ্বস্ত ভোগাই, চেল্লাখালী ও মহারশি নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি। ফলে এসব বাঁধও ঝুঁকিতে রয়েছে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে আগাম বন্যার আভাস দেয়ায় জেলা প্রশাসনের নির্দেশে ঝিনাইগাতি ও নালিতাবাড়ী উপজেলা প্রশাসন আকস্মিক বন্যা মোকাবিলায় স্বেচ্ছাসেবীসহ অন্যান্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ

এলাকার খবর
Loading...