নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লিক থেকে হওয়া বিস্ফোরণে দগ্ধ স্বামী-সন্তানদের পর মারা গেলেন সায়মা বেগম (৩২)। আজ শুক্রবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। সায়মা বেগমের শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। এনিয়ে একে একে পরিবারটির পাঁচ সদস্যই মারা গেলেন।
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানান, গত রবিবার (১০ মে) ফতুল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৫জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সবাই মারা গেছেন।
এর আগে গত রোববার সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে কালাম-সায়মা সহ তাদের তিন শিশু সন্তান দগ্ধ হয়েছিলেন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে রাজধানীর জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে ভর্তি করা হয়েছিল। একই দিন বিকেলে হাসপাতালে তাদের দেখতে যান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। এছাড়া রাতে হাসপাতালে যান নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন সকালেই (১১মে) মারা যান গৃহকর্তা মো. কালাম (৩৫)। তার শরীরে পোড়ার মাত্রা ছিল ৯৫ শতাংশ। এরপর একে একে মারা যান কালাম-সায়মা দম্পতির তিন শিশু সন্তান মুন্না (৭), কথা (৭) ও মুন্নি (১০)।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

